EDITOR
- ১০ এপ্রিল, ২০২১ /

মো: ফারুক, পেকুয়া:
পেকুয়ায় উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি সাবেক ইউপির সদস্য মোঃ শফিউল আলমের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা বাঁধা দিতে গিয়ে যুবলীগ নেতার স্ত্রী আফরোজা সোলতানা (৩৬) ও তামিম নামে এক শিশু আহত হয়।
শনিবার (১০এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউপির সাবেক গুলধি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পেকুয়া থানার এএসআই আবদুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা পরিদর্শন করেছে।
ভুক্তভোগী যুবলীগ নেতা শফিউল আলম বলেন, বেলা ১১টার দিকে মৃত আহমদ নুরের ছেলে আজিজুল হক ও মৃত সাঁচি মিয়ার ছেলে ছৈয়দ আলমের নেতৃত্বে মহিলাসহ আরো বেশ কয়েকজন লোক আমাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা শুরু করে। এক পর্যায়ে বসতভিটায় ভাংচুর শুরু করলে আমার স্ত্রী তাদের বাঁধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে আহত করার পাশাপাশি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। আমাকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা হামলা চালালেও স্থানীয়রা এগিয়ে আসায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
যুবলীগ নেতার ভাই নুরুল হোসেন বলেন, আমাদের বসতভিটা জোরপূর্বক দখল চেষ্টা চালায় ছৈয়দ আলম নামে এক ব্যক্তি। এসময় তার সাথে আজিজুল হক, জাকের হোসেন, খতি, মাশেকা, মরিয়ম, জোবাইদা, লাইলা বেগম ও নুর নাহার যোগ দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা শুরু করে। বসতভিটা, ঘেরাও ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধণ করে। একই সাথে ভাবির পরণে থাকা স্বর্ণের চেইস ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে তারা বড় ধরণের রক্তপাতের মত ঘটনা ঘটাতো বলে আমাদের ধারণা। এ ঘটনায় আমরা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
পেকুয়া থানার এএসআই আবদুল হক বলেন, মূলত বসতভিটার জায়গা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ। ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলেছি। কেউ অভিযোগ দিলে ওসির সাহেবের নির্দেশে অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভয়েস/আআ