শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের আধিপাত্য ধরে রেখেছে দোসর ফারুক! জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান সম্ভাব্য আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা স্পিকার হাফিজ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য

সমুদ্রে কয়েকশ’ রোহিঙ্গাকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি করছে পাচারকারিরা

ভয়েস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সমুদ্রে কয়েক শতাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জিম্মি করে তাদের পরিবারের কাছে পাচারকারীরা মুক্তিপণ দাবি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীদের আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। তাদের অভিযোগ, মুক্তিপণ দিলেই কেবল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে নৌকায় জিম্মি থাকা রোহিঙ্গাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

করোনার বিস্তার রোধে বিভিন্ন দেশের সীমানা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালানো কয়েকশ’ রোহিঙ্গা কয়েক মাস ধরে সমুদ্রে আটকা পড়েছেন। তারা উন্নত জীবনের আশায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া দেশে যেতে মানব পাচারকারীদের ফাঁদে পা দিয়েছেন। ছোট ছোটে নৌকায় করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল সমুদ্রে যাত্রা করেন তারা। খবর রায়টার্সের।

তিনজন রায়টার্সকে জানান, নামার জায়গার সন্ধানের জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে নৌকাগুলো অবস্থান করছে। এখন সেখান থেকে স্বজনদের মুক্তি দিতে পরিবারের কাছে টাকা চাচ্ছেন মানব পাচারকারীরা।

মোহাম্মদ আইয়াস নামে এক যুবক বলেন, এর আগে চুক্তি ছিল যে তারা (মালয়েশিয়াগামীরা) মালয়েশিয়ার তীরে পৌঁছাতে পারলে পাচারকারীরা টাকা নেবেন, কিন্তু তারা এখনই টাকা চাচ্ছেন।

তিনি জানান, তার ১৬ বছর বয়সী ভাই মালয়েশিয়ার উদ্দেশে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির ছেড়ে গেছে ফেব্রুয়ারিতে। এরপর আর তার কোনো খোঁজ পাননি তারা। কিন্তু সে বেঁচে আছে কিনা তাও তারা জানেন না।মুসা নামে আরেকজন জানান, তার দুই কিশোরী বোনও ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের শিবির ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে সমুদ্রে নৌকায় আটকে রয়েছেন। পাচারকারীদের পক্ষে কাজ করা দালালরা তাদের পরিবারের কাছে তাদের (পাচারকারীদের) একটি মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় ১২,০০০ রিঙ্গিত (২,৮০০ ডলার) দিতে বলেছিলেন। পরিবারটি এর মধ্যে কিছু টাকা দিলেও দুই বোনের ভাগ্যে কি হয়েছে তা জানে না।

কয়েক বছর ধরে নভেম্বর ও এপ্রিলের মধ্যে যখন সমুদ্র শান্ত থাকে, তখন নৌকায় করে সীমান্ত পার হয়ে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর যান রোহিঙ্গারা। কিন্তু করোনার কারণে লকডাউন থাকায় নৌকাগুলো কোনো সীমান্তে ভিড়তে পারছে না। ফলে তারা সমুদ্রেই আটকা পড়েছেন।

খাদ্য ও পানির অভাবে এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে ফিরে আসা একটি নৌকায় কয়েক ডজন মানুষ মারা গেছেন বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন জীবন নিয়ে ফেরা ব্যক্তিরা।

গত সপ্তাহে একটি ক্ষতিগ্রস্ত নৌকায় করে তীরে আসা ২৬৯ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে যে ওই ২৬৯ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগই এতো দুর্বল যে ঠিকমতো হাঁটাচলাও করতে পারছেন না।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION