রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নেপাল ৪০ দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলেন ইরফান উদ্দিন ইরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের আধিপাত্য ধরে রেখেছে দোসর ফারুক! জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান সম্ভাব্য আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা স্পিকার হাফিজ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ

ইন্ডিয়া আমাদের দুঃখে সবসময় পাশে থাকে: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সহযোগিতা আমরা পেয়েছি। ‘৭৫ সালে বাবা-মা, ভাই-বোন সবাইকে হারিয়ে আমরা দুই বোন যখন অসহায়, এই ইন্ডিয়াতেই আমরা তখন আশ্রয় পেয়েছিলাম। শুধু আমি না, আমাদের পরিবারের আরও যারা আপনজন হারিয়ে, গুলি খেয়ে আহত হয়, তারা এখানে এসে আশ্রয় নেয়। সবসময় আমাদের দুঃখের সময় ইন্ডিয়া আমাদের পাশে থাকে।

আজ মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউজে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর দুই দেশের মধ্যে সাতটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। কানেকটিভিটি, বিনিয়োগ, বর্ধিত বাণিজ্য সম্পর্ক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ দিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় সমাধান করেছে। দ্রুতই তিস্তার পানি বন্টন ইস্যুর সমাধান হবে বলেও শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন।

নরেন্দ্র মোদি ও ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আমরা সমাধান করেছি। আমি মনে করি, দুই দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, দারিদ্র্য বিমোচন করা, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করা; শুধু আমাদের দুই দেশ না, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সব এলাকা মিলেই যেন এই এলাকার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে আরও উন্নত হয়।

তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে সমস্যা থাকতে পারে। সেগুলো আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। এর দৃষ্টান্ত আমরা দেখিয়েছি। আজ যেসব সমঝোতা চুক্তি আমরা সই করেছি তা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, এখানে আসা সত্যি খুব আনন্দের বিষয়। তিন বছর পর আবার আসতে পেরেছি। ছয় বছর রিফিউজি হিসেবে ছিলাম, এক্সাইলে ছিলাম। সেই স্মৃতিও মনে পড়ে। তখনও সব ধরনের সহযোগিতা পেয়েছি। কাজেই ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক আমরা সেটাই চাই। ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অটুট থাকুক।

প্রধানমন্ত্রী চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিল্লি পৌঁছান। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION