রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

অবৈধ বালু উত্তোলন: ৮টি ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট ৪ জনকে কারাদণ্ড

এম এ সাত্তার:

বাঁকখালী নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শাহরিয়ার মুক্তারের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ৮ টি ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট ও ৪ জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানান, হঠাৎ করে বাঁকখালী নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে। যার ফলে শহরের ৬ নং ঘাট হতে সদর উপজেলাধীন এলাকা বাংলাবাজার ব্রিজ পর্যন্ত বাঁকখালী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন এই প্রথম বারের মত ভিন্ন প্রক্রিয়ায় স্পিডবোট দিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

এতে সন্ধান মিলে বাঁকখালী নদীর তীরস্থ বালু উত্তোলনের ৮টি পয়েন্টে অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেজার মেশিন।

সেগুলো হলো, বড়ুয়া পাড়ায় দুইটি, পিএমখালী পয়েন্টে ২ টি বাংলা বাজার ব্রিজের আশপাশের ৪টি।
স্থানীয়রা জানান, বাংলা বাজার ব্রিজের পাশে চেয়ারম্যান টিপুর ছোট ভাই মুন্না, আব্দু শুক্কুরের ছেলে নুরুল আমিন ও তার ভাই নুরুল আলম, পিএমখালীর সিরাজুল হক, অন্যতম বালুখেকো এরশাদুল আলম, লিংকরোড মহুরীপাড়ার জিয়া ও মুবিন, চাঁন্দের পাড়ার আলী আকবরের ছেলে রিফাতুল করিম, আব্দুর

রহিম চেয়ারম্যানের ছেলে সালাউদ্দিন, নুর আহম্মদের ছেলে আব্দু সালাম, চেয়ারম্যানের এপিএস সহ ৩০ জনের একটি সিন্ডিকেট বাঁকখালী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন ”এনভায়রনমেন্ট পিপল” এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন,দীর্ঘদিন ধরে বাঁকখালী নদীতে অর্ধশত ড্রেজার ও শেলো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে ৩০ জনের একটি বালুখেকো সিন্ডিকেট। পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া এভাবে বালি উত্তোলনের ফলে নদীর দুই তীরে ভাঙ্গনের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
প্রশাসন প্রথমবারের মতো স্পিড বোট দিয়ে নদীতে ভিন্নধর্মী অভিযান পরিচালনা করায় সাধুবাদ জানান তিনি।
এদিকে এইসব বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বারবার প্রশাসনের অভিযান চালালেও থেমে থাকে না তাদের বালু উত্তোলন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে।

সহকারী কমিশনার ভূমি শাহরিয়ার মুক্তার বলেন, বাঁকখালী নদীতে স্পিডবোট দিয়ে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান করা হয়েছে।
এর আগে বারংবার অভিযানে ২/১টি করে ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট করা হলেও এইবারের অভিযানে ৮টি ড্রেজার মেশিন বিনষ্ট ও ৪ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION