মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করলেন-হানিফ

মোঃ আলমগীর আজিজ, টেকনাফ:
ভোটাধিকার ও কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার উদ্দেশ্যে অভিযাত্রা শুরু করেছেন মোহাম্মদ হানিফ বাংলাদেশী।
শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে টেকনাফ পৌরসভার জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে তিনি যাত্রা শুরু করেন।
এরআগে বৃহস্পতিবার ১৭ ডিসেম্বর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে গণস্বাক্ষর উদ্বোধন করেন দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক শহিদুল আলম। পরে রাতেই বাস যোগে তিনি টেকনাফে চলে আসেন।  হানিফ ৬৪টি জেলার ৪৯২টি উপজেলার প্রতিটি  শহর ও জেলা শহরের পায়ে হেঁটে গণস্বাক্ষর নেওয়ার পর আগামী ২৬ শে মার্চ তেঁতুলিয়ায় গিয়ে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা March For Democracy সমাপ্ত করা হবে।
নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নিয়াজপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ। দেশের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করায় বন্ধুরা তাকে ‘হানিফ বাংলাদেশি’ বলে ডাকেন। বর্তমানে তিনি এ নামেই পরিচিত। ১৯৯৯ সালে নোয়াখালীর বুলুয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর চট্টগ্রাম ওমর গণি এমএস কলেজে স্নাতকে ভর্তি হন। পরে তিনি  লেখাপড়া ছেড়ে চট্টগ্রামের একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানে কাজ নেন।
এ প্রসঙ্গে  হানিফ বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর ধরে সব শাসকদের দ্বারা জনগণের ভোটাধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে জনগণের প্রত্যাশা, ভোটাধিকার ও কার্যকর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান মতে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ আর রাষ্ট্রের উপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্ত ভোটাধিকার।  যাহা ৫০ বছর ধরে লুণ্ঠিত হচ্ছে। কাংখিত সে ভোটাধিকার কার্যকর গণতন্ত্রের দাবি নিয়ে দেশব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে টেকনাফে জিরো পয়েন্টে গণস্বাক্ষর নেয়া হয়েছে।
হানিফের দাবি, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তারা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় টিকে থাকতে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে। ভোটের প্রতি জনগণের আর আস্থা নেই। নির্বাচনে আগের মতো উৎসবমুখর পরিবেশ নেই। রাতের আঁধারে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। নির্বাচনের নামে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে জনগণ ভোটবিমুখ ছিলেন। ভোট না দিলেও সরকারদলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। এটি ভেবে অনেক ভোট দিতে কেন্দ্রে যাননি।
তিনি বলেন, মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারছে না।ভোট উৎসব এখন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। সব নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে ভোটাররা আবার কেন্দ্রে ফিরবেন। আর এ পরিবেশ সৃষ্টি করতেই তিনি টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত অভিমুখে যাত্রা করছেন।
উল্লেখ্য ২০১৯ সালের ১২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল ভোটাধিকারের দাবিতে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পায়ে হেঁটেছেন।  একই বছর ১৪ মে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে পঁচা আপেল নিয়ে প্রতিবাদ করেছের।  একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত দিনীতি বন্ধের জন্য ৬৪ জেলার  জেলা প্রশাসক (ডিসি) কে স্বারকলিপি দিযেছেন। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর প্রতিকী লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে  কুড়িগ্রাম সীমান্তে পায়ে হেঁটে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছে।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION