মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ডুলাহাজারার ৪ হাজার মানুষ পাচ্ছেন হাসানুল ইসলাম আদরের শীতবস্ত্র

ভয়েস প্রতিবেদক, চকরিয়া:

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র, গরীব, ছিন্নমূল, এতিমসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির মাঝে শীতবস্ত্র নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন তরুণ সমাজসেবক ও ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসানুল ইসলাম আদর।

গত চারদিন ধরে রাতের আঁধারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই শীতবস্ত্র হাতে তুলে দিচ্ছেন সশরীরে আদর উপস্থিত হয়ে। একইসাথে দিনের বেলায়ও হাসানুল ইসলাম আদরের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র পাচ্ছেন সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিশু,
বৃদ্ধ থেকে শুরু করে অসহায় মানুষগুলো। তীব্র শীতের মধ্যে এসব শীতবস্ত্র পেয়ে অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুঁটেছে।

জানা গেছে, গত শনিবার (২ জানুয়ারী) থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয় ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রাথী, কালের কণ্ঠ শুভসংঘ
চকরিয়া উপজেলা শাখার সম্মানিত উপদেষ্টা সদস্য, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নেতা ও যুবলীগ নেতা হাসানুল ইসলাম আদর। তিনি গত চারদিন ধরে একাধারে রাতের আঁধারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র পৌঁছে
দেন বৈরাগীর খিল, বালুরচর, অলিবাপের জুম, রংমহল, হাতিপাড়া, হিন্দুপাড়া, চা-বাগান, খ্রিষ্টান পাড়া, সুয়াজিন্নাহ, রিংভং, ভিলেজার পাড়াসহ অসংখ্য গ্রামে। আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত ডুলাহাজারা ইউনিয়নের অন্তত চার হাজার
পরিবারে পৌঁছে দেওয়া হবে শীত নিবারণের এই বস্ত্র।

শীতবস্ত্র বিতরণ প্রসঙ্গে হাসানুল ইসলাম আদর বলেন, ‘কয়েকবছর আগে সর্বশেষ আদম শুমারী অনুযায়ী ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পরিবারের সংখ্যা ছিল সাড়ে সাত
হাজার। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা ১০ হাজারে দাঁড়াতে পারে। সেই হিসেবে দরিদ্র শ্রেণীর পরিবারের সংখ্যা হতে পারে চার হাজারের কম। তাই দরিদ্র এসবপরিবার তথা চার হাজার পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে শীত নিবারণের বস্ত্র। যাতে
সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো শীত নিরাবণ করতে পারে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION