সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে’ রেজুখালে গোসলে নেমে কিশোরের মৃত্যু সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গাদাগাদি, হুড়োহুড়ি

শাহীন মাহমুদ রাসেল:

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত দুই মাস অফিসে গিয়ে বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেননি কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎতের অধিকাংশ গ্রাহক। তাই পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গত দুইদিন ধরে বিল আদায় করতে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিল পৌছে দিয়েছেন এবং পরিশোধ করার জন্য বিভিন্নভাবে প্রচারণা করেছেন।

প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লিংকরোডস্থ প্রধান অফিসসহ তাদের বিভিন্ন জোনাল অফিসে বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হয়। এতে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে এসব অফিসে কোনো সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। গ্রাহকরা একে অপরের গা ঘেঁষে এবং হুড়াহুড়ি করে বিদ্যুৎ বিল জমা দিচ্ছেন এমনটাই দেখা গেছে।

জানা যায়, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকেই কক্সবাজার জেলার অনেক সচেতন মানুষ ঘরে আবদ্ধ হয়ে যায়। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে কক্সবাজারকে লকডাউন ঘোষণা করে সর্বত্র হাট বাজার বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। এর পরে সরকারি অফিস-আদালতও বন্ধ হয়ে যায়।

পর্যায়ক্রমে পৌর শহরসহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা নিজ নিজ এলাকা স্বেচ্ছায় লকডাউন করে দেয়। এতে সাধারণ জনগণের চলাচল অনেকটা বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় গত মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুতের বিল অফিসে গিয়ে জমা দিতে পারেনি অধিকাংশ গ্রাহক। এতে বকেয়া বিল তুলতে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুতের প্রধান এবং সাব জোনাল অফিস গত কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিদ্যুৎ বিল আদায়ের জন্য বিল সর্বরাহ করছেন। গ্রাহক হাজির করতে বিল আদায়ের আগেরদিন মুঠোফোনে খুদেবার্তা পাঠানোসহ গ্রামে গ্রামে বিভিন্নভাবে প্রচার করে দেওয়া হয়।

পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা জানান, বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা করে বিল দিতে গ্রাহকদের ডাকা হয়। সে সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হবে বলে ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিল দিতে গেলে সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষকে কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ৩/৪ জন কর্মচারী টেবিলে বসে বিদ্যুৎ বিল উত্তোলন করেন। এ সময় গ্রাহকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইন দাঁড়াতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বা প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। এতে গ্রাহকরা একজনের গা ঘেঁষে আরেকজন হুড়াহুড়ি করে বিল দেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে আগতদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ বিল কালেকশন সেন্টারে।

সদর উপজেলার খরুলিয়া গ্রামের গ্রাহক হাবিব উল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রশাসন সকলকে ঘরে থাকতে বলছেন। এতে অনেকেই অফিসে গিয়ে সময় মতো বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেনি। তাই এতদিন পর অফিসে বিদ্যুৎ বিল কালেকশন করছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে এসব সেন্টারে গ্রাহকদের মধ্যে কোনো সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। তাই কোনো করোনা সংক্রমিত লোক এসব স্থানে আসলে মহামারী আকার ধারণ করবে। বিষয়টির সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুত অফিসের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান লস্কর বলেন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে আমরা রং দিয়ে গোল চিহ্ন এঁকে দিয়েছি। গ্রাহক হাত ধোয়ে যেন প্রবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থাও করেছি। তাছাড়া বিল গ্রহনের ক্ষেত্রে বুথও বাড়ানো হয়েছে। তবে গ্রাহকরা সচেতন না হলে কোনোভাবেই এসব সেন্টারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় বলে জানান কর্মকর্তা।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION