শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ৬০টির বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে মিয়ানমার সীমান্তে আতঙ্ক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

পর্যটক উচ্ছ্বাসে ভাসছে সমুদ্র সৈকত

বিশেষ প্রতিবেদক:

সাপ্তাহিক এবং মাতৃভাষা দিবসের ছুটি মিলিয়ে টানা ৩ দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে আবারও ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নেমেছে।করোনা মহামারীর সময়ে দীর্ঘ দিনের মন্দাভাব কাটিয়ে এই প্রথম এতোবেশি পর্যটক সমাগম কক্সবাজারে। এখানকার চার শতাধিক হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসে কোনো রুম খালি নেই।

অন্যদিকে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।সমুদ্র স্নান, সৈকতের বালুতে ছুটাছুটি, সূর্যাস্ত অবলোকনসহ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণের অনন্দটাই যেন পর্যটকদের কাছে স্বপ্নের মতোন। তাইতো ছুটি পেলেই সাগর জলে শরীর-মন ভাসাতে তারা ছুটে আসেন কক্সবাজারে।

শুক্রবার ও শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টে দেখা গেছে হাজারো প্রাণের কোলাহল। যেন অন্য রকম প্রাণের উচ্ছ্বাস।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের সিগ্ধা রহমান শুক্রবার বেড়াতে আসেন কক্সবাজার। স্নিগ্ধা জানান, দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকতে থাকতে আর পারছিলাম না। তাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে কক্সবাজার ছুটে এসেছি। অনেক ভাল লাগছে।

করোনাকালে দীর্ঘদিনের ঘরবন্দি জীবনের একঘেয়েমি কাটাতেই এখানে ছুটে আসা। যেহেতু টিকা চলে এসেছে, টেনশনও একটু কমেছে। আমরা মজা করছি এখানে। এভাবেই অনুভুতির কথা জানালেন আরেক পর্যটক মো. আলাউদ্দিন।

কলেজ ছাত্র মো. রাশেদ বলেন, সমুদ্র আমার কাছে বরাবরই স্পেশাল। সুযোগ পেলেই কক্সবাজার ছুটে আসি। তবে করোনা মহামারীর কারণে গত এক বছর কম আসা হয়েছে। তবে এবার এতোবেশি লোক সমাগম দেখে সত্যিই অবাক হলাম।

এদিকে পর্যটকদের ঢল সামলাতে এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হোটেল মোটেলগুলোতে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের জেনারেল ম্যানজার মোশারফ হোসেন জানান, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার তিন দিনের শতভাগ বুকিং। শহরের কমবেশি সব হোটেল মোটেলে কোনো রুম খালি নেই। আমরা চেষ্টা করছি সবোর্চ্চ সেবা দিতে।

হোটেল ঝাউবাগানের সত্ত্বাধিকারী ও কক্সবাজার রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির নেতা মো. আলী  জানান, একটানা তিন দিনের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজার এসেছেন। বাড়তি চাপ সামলাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চাপের মাঝেও সব পর্যটক যেন কক্সবাজার থেকে ভাল অনুভূতি নিয়ে যেতে পারেন, সেই চেষ্টা করছি আমরা। যোগ করেন তিনি।

এদিকে পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দময় এবং নিরাপদ ভ্রমন নিশ্চিত করতে সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, ইনানী, সেন্টমার্টিনসহ বিশেষ বিশেষ পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহি উদ্দিন।

তিনি বলেন, তিনদিনের ছুটিতে লাখো পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছেন। এসব পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকধারী এবং সাদা পোশাকে কয়েকশ’ পুলিশ সদস্য সৈকতসহ আশ পাশের পর্যটন স্পটে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION