সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের অভ্যান্তরে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি দুই বছর অন্তর একবার মহড়া অনুষ্ঠানে একটি হাইজ্যাক, বোমা হামলাসহ নানাবিধ ঝুঁকি মোকাবেলার সক্ষমতা যাচাই এবং অংশীজনদের প্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
মহড়ায় দেখানো হয় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৮ জন যাত্রী ও ২ জন কেবিন ক্রু নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে বিমানটি যাত্রা করে। বিমানটি উড্ডনের ১০ মিনিটের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে একটি বেনামী টেলিফোন কল আসে, যেখানে কলদাতা জানায় যে বিমানের ভেতরে একটি বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময়ে এটি বিস্ফোরিত হতে পারে। কন্ট্রোল টাওয়ার দ্রুত বিষয়টি কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক এবং এভিয়েশন সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানায়। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এবং হুমকিটিকে বাস্তবসম্মত বিবেচনা করে বিমানবন্দর পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করে ‘ফুল এমার্জেন্সি’ ঘোষণা করেন এবং ইমারজেন্সি অপারেশনস সেন্টার সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং মেডিকেল ইউনিটসহ অন্যান্য সংস্থাকে অবহিত করে এবং সমন্বয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
মহড়া অনুষ্ঠান শেষে বেচিক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন- ‘এ ধরনের মহড়া শুধু দুর্বলতা শনাক্তের সুযোগই সৃষ্টি করে না, বরং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বৃদ্ধি করে যাত্রীসেবায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহড়ার সফলতা সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে যেকোনো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মহড়ায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান ও বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল। উক্ত মহড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র্যাব, কক্সবাজার জেলা পুলিশ, এপিবিএন, আনসার, সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টিম এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা অংশ গ্রহন করেন।
ভয়েস/আআ