শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আদালতের আদেশ অমান্য করে সোনারপাড়া খেলার মাঠে স্থাপনা নির্মাণ

বার্তা পরিবেশক:

উখিয়ার সোনারপাড়া খেলার মাঠের বিরোধীয় ২০ শতক জমিতে আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৩ জুন) দুপুরে জেলা ও দায়রা আদালতের বিজ্ঞ জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের দেয়া কারণ দর্শানোর নোটিশ উপেক্ষা করেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করে স্কুল কতৃর্পক্ষ।

অভিযোগে জানা যায়, গত ১৮ জুন সোনারপাড়া খেলার মাঠের ২০ শতক বিরোধীয় জমির উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ জেলা জজের নিকট উপস্থিত হয়ে একটি মিস আপীল ১৮/২১ নাম্বার মামলা দায়ের করেন জনৈক আব্দুল জলিলের ওয়ারিশগণ। এই মিস মামলার আলোকে স্কুলের খেলার মাঠে কেন ভবন কেন তা জানতে চেয়ে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য ৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই আদেশে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি, সোনারপাড়া স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৯ জনকে আদালতে উপস্থিত হয়ে যথাযথ কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়।

এদিকে বাদী পক্ষের লোকজন এবং সোনারপাড়া খেলার মাঠের চারপাশে বসবাস করা গ্রামবাসীরা জানান, কক্সবাজার জেলার বিজ্ঞ জেলা জজের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হঠাৎ খেলার মাঠের বিরোধীয় জমিতে ভবনের কাজ শুরু করে দেয়। আইনের প্রতি সম্মান না দেখিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ এলাকার লোকজনকে উল্টো হুমকি ধমকি দিয়ে স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি আবু তাহের ও স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রদান শিক্ষক মিলন কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা চলছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বড়–য়া বলেন, যারা অভিযোগ করছে তাদের কোন জমি নেই। এটি স্কুলের জমি। ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দের টাকা ফেরত চলে যাবে। তাই মাঠে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি আমার এখতিয়ারে নেই। জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী এ ব্যাপারে ভাল জানবে। তিনি তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION