শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী:
মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের লম্বাঘোনা এলাকায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মা ও ছেলে ছুরিকাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সূত্রে জানা যায়, ছোটমহেশখালীর লম্বাঘোনা এলাকার ছালেহ আহমদ এর পুত্র নুরুল মোস্তফা ও নুরু ফকিরের পুত্র রাহামত উল্লাহ প্রায় সময় বিভিন্ন মহিলাদের উত্যাক্ত করে থাকে। এতে বাধা প্রদান করে একই এলাকার ফরিদ আলম এর পুত্র নুরুন্নবী।
এ বিষয়কে কেন্দ্র করে গত ১০ জুলাই আনুমানিক বিকাল ২ টায় নুরুল মোস্তফা, রাহামত উল্লাহ, আবু বক্কর ও নুরুল হাশেম জোটবদ্ধ হয়ে ধারালো ছুরি ও লাঠিসোঁটা সহকারে ফরিদ আলম এর বসত ঘরে ঢুকে ফরিদ আলমের স্ত্রী মায়েশা বেগমের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা মায়েশা বেগমের পেটে ছুরি মারতে চাইলে সে সরে যাওয়ায় ছুরিটি মায়েশা বেগমের নিতম্বে লাগাবে। সে মারাত্মক জখম প্রাপ্ত হয়। এসময় তার ছেলে নুরুল আবছার মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে দেখে হামলাকারীরা নুরুল আবছারকেও তার দুই হাতের কবজিতে ছুরিকাহত করে রক্তাক্ত করে। তাদের শোর চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসতে দেখে হামলাকারীরা এই বিষয়ে মামলা মোকদ্দমা করলে মারপিট খুন জখম সহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। পরে লোকজনের সহায়তায় ছুরিকাহত মায়েশা বেগম ও তার ছেলে নুরুল আবছারকে চিকিৎসার জন্য মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় কর্তব্যরত ডাক্তার মায়েশা বেগমের জখম গুরুতর হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। ফরিদ আলম একজন নিরীহ লোক। এলাকার কিছু গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাটি মীমাংসা করার ব্যাপারে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার চেষ্টা করেছিলেন। এতে নুরুল মোস্তফা গং প্রথমে রাজি হলেও পরে বৃদ্ধাংগুলী দেখায়। শেষ পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলার আশ্রয় নিতে ন্যায় বিচার পেতে ফরিদ আলম বাদী হয়ে উক্ত চারজনকে বিবাদী করে মহেশখালী থানায় একটি এজাহার জমা দেন।
বিষয়টির ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল হাই এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাদী ফরিদ আলম এর পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে একটি এজাহার পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভয়েস/জেইউ।