রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মিয়ানমারে পাচারকালে ডিজেল-আলকাতরা, ট্রলিং বোটসহ আটক ৭ সংগ্রামের আলোকশিখা সত্যেন সেন: জন্মের ১১৯ বছরে শ্রদ্ধা ও স্মরণ যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের নতুন শর্ত, বিলিয়ন ডলার হাতছানি কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা

ইউএনআর:‘বাংলাদেশকে অবশ্যই সাংবাদিক নিপীড়নের অবসান ঘটাতে হবে’

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশকে অবশ্যই সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন অবসান ঘটাতে হবে বলে বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।

এক বিবৃতিতে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, কাজলের আটকাদেশ ও তার বিরুদ্ধে করা ফৌজদারি মামলাগুলোর কারণে বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার করছে।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার অফিসের (ইউএনআর) ওয়েবসাইটে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, শফিকুল ইসলাম কাজলের মতো অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণতে করে একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ ধরনের নিপীড়ন সাংবাদিক এবং তাদের পরিবার এবং সামগ্রিকভাবে সমাজের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। সমাজ, গণতন্ত্র এবং জবাবদিহির জন্য সাংবাদিকতা অপরিহার্য বিষয়।

এতে আরও বলা হয়, গত ১০ মার্চ গুম হওয়ার আগে কাজল যৌন কর্মকাণ্ড কেন্দ্রিক পাচার নিয়ে প্রতিবেদন করছিলেন, যার সাথে বাংলাদেশের রাজনীতিকদের সম্পৃক্ততার কথা জানা যায়।

এই প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের দুইজন নেতা কাজলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় কাজলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ৩ মে কাজলকে যখন চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় ভারত সীমান্তে পাওয়া যায় তখন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য তাকে আটক করা হয়। অনুপ্রবেশের অভিযোগে কাজলকে আদালত জামিন ও মুক্তির নির্দেশ দিলেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় চলমান তদন্তের কারণে ১৫ দিনের আটকাদেশ দেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজলকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, আমরা তার আটকের বৈধতা পর্যাপ্ত বিচারিক পর্যালোচনা সাপেক্ষে হয়েছে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আপাতদৃষ্টিতে তার আটকের বিষয়টি আইনানুগ ভিত্তি ছাড়াই ঘটেছে এবং তা যদি নিশ্চিত হয়ে যায় তাহলে এটি মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।

বাংলাদেশে বলপূর্বক ও অনিচ্ছায় নিখোঁজ হওয়া ৬০টির বেশি মামলার কথা উল্লেখ করে তারা জানান, আমরা বলপূর্বকভাবে নিখোঁজ হওয়ার প্রতিটি মামলা অতিশিগগির এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানাই।

বিবৃতি দেন জাতিসংঘের বাকস্বাধীনতা অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডেভিড কাই, বিচারবহির্ভূত মৃত্যুদণ্ড বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যাগনেস কালামার্ড এবং বলপূর্বক গুমের বিরুদ্ধে কাজ করা কমিটির লুসিয়ানো এ. হাজান, তায়-উং বাইক, হোরিয়া এস-স্লামি, হেনরিকাস মিকেভিসিউস, বার্নারড ডুহাইমে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ দাইনিয়ুস পুরাস। সূত্র:দেশরূপান্তর।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION