বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ইউনুছ ভুট্টুর নির্বাচনী অফিস!

বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজারের রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসটি এখন নিজের অফিস বানিয়েছেন বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ইউনুছ ভুট্টু। ইতোমধ্যে অফিস থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অফিসের ভেতরে বাইরে শোভা পাচ্ছে ইউনুছ ভুট্টুর নির্বাচনী পোস্টার-ব্যানার। দিনরাত চলছে জমজমাট নির্বাচনী আড্ডা।

মো. ইউনুছ ভুট্টু নিজেই একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও দলীয় চেয়ারম্যান হয়ে কিভাবে জাতির জনক এবং দলীয় প্রধানের ছবি সরালেন, ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষকে। ক্ষোভ দেখালেন দলের সমর্থকরা।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, প্রায় ৪ বছর আগে চেইন্দা স্টেশনের হাজি আব্দুর রহমান মার্কেটে আওয়ামী লীগের অফিসের জন্য কক্ষ বরাদ্দ দেন মোজাহের আলম। তখন থেকে এটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস হিসেবে পরিচিত। চলতো দলীয় সভা-সমাবেশ। কিন্তু হঠাৎ দলীয় অফিসের চেহারা বদলে গেছে। নেই জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি। আওয়ামী লীগের অফিসটি রাতারাতি হয়ে গেলো বিদ্রোহী প্রার্থীর ব্যক্তিগত অফিস। এ নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খোদেসতা বেগম রীনা বলেন, গায়ের জোরে দলীয় অফিসটি নিজের নির্বাচনী অফিস বানিয়েছেন ইউনুছ ভুট্টু। জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তুলে ফেলে চরম অবমাননা করেছেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে ৩১ অক্টোবর বেলা দেড়টার দিকে মো. ইউনুছ ভুট্টুকে ফোন করলে কোথায় অফিস? কার অফিস? কি হয়েছে? ইত্যাদি উল্টো প্রশ্ন ছুঁড়েন। এরপর এর ধরণের কোন ঘটনা জানেন না বলে উত্তর দেন।

বিস্তারিত জানতে চাইলে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যস্ততা দেখিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন মো. ইউনুছ ভুট্টু।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, ইউনুছ ভুট্টু নির্বাচনী মাঠে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। মারধরে দলীয় নেতাকর্মী ও নৌকার সমর্থকদের আহত করছে। এটি খুবই গর্হিত, নিন্দনীয় কাজ। ধিক্কার জানাচ্ছি। তিনি বলেন, দলীয় অফিস দখল করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের কাজে ব্যবহারের বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION