শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

পর্যটন শিল্পে ধস: ৪০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর মানবেতর জীবন

বলরাম দাশ অনুপম:
পর্যটনের মৌসুমেও মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটক শূন্য কক্সবাজার। বিশেষ করে রমজানের ঈদের পর থেকে দেশি-বিদেশি হাজার হাজার পর্যটকে ভরপুর থাকে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত নগরী। কিন্তু গত দু’মাস ধরে পর্যটক আসা বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন সাড়ে চারশ হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস ও রিসোর্টের ৪০ হাজারের বেশি শ্রমিক-কর্মচারী। গত দু’মাসের বেতনসহ ঈদ বোনাস না পেয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। একই সঙ্গে চরম বিপর্যয়ের মুখে পর্যটন শিল্প।

তবে, পর্যটনের এই ভর মৌসুমে কিছুটা হলেও লোকসান পুষিয়ে নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন মেনেই সীমিত পরিসরে পর্যটন ব্যবসা চালু করতে চান পর্যটন শিল্পনির্ভর ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, প্রতিবছর এ সময়টাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকে ভরপুর থাকতো পর্যটন নগরী কক্সবাজার। সমুদ্র সৈকতের লাবণী, ডায়বেটিক হাসপাতাল, সুগন্ধা, কলাতলী মোড় ছাড়িয়ে পর্যটকদের কোলাহল দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী পাথুরে সৈকত ও দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনেও পৌঁছে যেতো। কিন্তু এবছর করোনা তাণ্ডবে সবখানে বিরাজ করছে সুনসান নিরবতা।

কক্সবাজার কলাতলী-মেরিনড্রাইভ হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর সকল প্রস্তুতি নিয়ে সীমিত পরিসরে হলেও হোটেল-মোটেল রিসোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। অন্যথায় বড় ধরণের বিপর্যয়ে পড়বে এ শিল্প। যা কাটিয়ে উঠা খুবই কঠিন হবে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেষ্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হোটেল-মোটেল, গেষ্ট হাউস থেকে শুরু করে পর্যটন শিল্পনির্ভর ব্যবসা বন্ধ থাকার কারণে চরম ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছি। পাশাপাশি এখানে চাকরি করে জীবন নির্বাহ করা প্রায় ৪০ হাজারের মত শ্রমিকেরাও খুবই কস্টে আছে। এ অবস্থায় যদি হোটেল-মোটেল চালু না হয় তাহলে তো এ শিল্পকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে।

কক্সবাজারের তারকা হোটেল দি কক্সটুডের পরিচালক তালেব বলেন, দীর্ঘ সময় হোটেলের কার্যক্রম বন্ধ। একেবারে বেকার হয়ে পড়েছে শ্রমিকরা। মালিকরা চলবে নাকি শ্রমিকদের বেতন দিবে। এ নিয়ে চরম সংকটে সময় পার করছি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে কিছুটা হলেও সচল করা হোক পর্যটন শিল্প।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION