বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

থাইংখালীতে খালে বাঁধ, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা

ভয়েস প্রতিবেদক:

উখিয়ার থাইংখালীর রহমতের বিলে খালে অবৈধ বাঁধ দিয়েছে প্রভাবশালী চক্র। খালে ৩০ ফুট লম্বা বাঁধ দিয়ে চাষাবাদ ও মাছ চাষের উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। বাঁধের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ। যার ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য আটকে চরম দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, রহমতের বিল এলাকায় ডাম্পারযোগে খালের ওপর মাটি ফেলে ৩০ ফুট লম্বা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত জমি ও মৎস্য চাষের উদ্দেশ্যে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা। বাঁধের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে খালের পানি চলাচল। আর তাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য মিশ্রিত পানি আটকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে উপদ্রব বেড়েছে মশা—মাছির।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক বলেন, একজনের জন্য পুরো এলাকার মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। পরিবেশের তোয়াক্কা না করে ওই বাঁধ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া খালে বাঁধ দেওয়ার কোন নিয়ম রয়েছে কিনা? তাজনিমার খোলা এলাকার আব্দুর রশিদ ও মমতাজ আক্ষেপ করে বলেন, ৫ একর জমি চাষের জন্য তিন—চার কিলোমিটার বিস্তৃত খাল পাড়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে কষ্ট পাচ্ছে। থাইংখালি বালু মহালের খাইরুল বাশার বলেন, খালে বাদ দিয়ে দূষিত পানি আটকে রাখায় তিন মাস যাবত বন্ধ রয়েছে বালু উত্তোলন। এতে দুই শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ফলে ইজারাদার চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
থাইংখালী বালু মহালের ইজারাদার বলেন, প্রায় অর্ধ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে থাইংখালি বালু মহালের ইজারা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ২০২১ সালের স্থানীয় ইউপি নির্বাচন পরবর্তী অস্থিরতা এবং খালে অবৈধ বাঁধ নির্মাণের ফলে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। ইজারার মেয়াদ রয়েছে দুই মাসের মত। কিন্তু অর্ধেক লগ্নেও মূল পুঁজি উঠে আসেনি। এতে চরম আর্থিক ক্ষতির আশংকা করছি। এ বিষয়ে তড়িৎ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ভয়েস/ জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION