EDITOR
- ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ /

এম এ সাত্তার:
‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’ বিচার প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা বা অবিচারের বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘প্রশ্ন’ কবিতায় লিখেছিলেন এ কথা, মতান্তরে ৯ দশক আগে। এ থেকে প্রমাণিত হয়, বিচার নিয়ে অনিয়ম তখনো ছিল, এখনো আছে।
মানবাধিকারকর্মী সৈয়দ কামাল বলেন, মানুষের একমাত্র শেষ আশ্রয়স্থল আইন-আদালতের মাধ্যমেই ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। কিন্তু আমাদের দেশে অপরাধ তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার কারণে মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিগত ১০ বছর আগে কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল কাদের প্রহ্নত হন একদল সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক।খবর পেয়ে থানাপুলিশ তাকে উদ্ধার করেন। গত কয়েকদিন আগে রুহুল কাদের মিডিয়াকে বলেছেন, তার বিচার পাওয়ার আশা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। সহায় সম্বল থাকা সত্ত্বেও বাড়িতে অবস্থান করতে না পেরে যাযাবরের জীবনযাপন করছেন। কুতুবদিয়া আলি আকবর ডেইল ৫ নং ওয়ার্ড মশরফ আলি সিকদার বাড়ির মৃত কবির আহমদ সিকদারের পুত্র রুহুল কাদেরের সহায় সম্পত্তি দখল করে নিয়ে অট্রালিকা গড়ে তুলেন তার ভাইয়েরা।
নির্যাতিত রুহুল কাদেরের এমন অমানবিক ঘটনা নিয়ে মিডিয়া সংবাদ শিরোনাম করেন। বলা হয়, কুতুবদিয়ায় সৎ ভাইকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, (দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা, ২৭ জানুয়ারি ২০২২)। সহায় সম্বল হারানো রুহুল কাদের সময়অসময়ে জোর জুলুমের শিকার হলেও কারো কাছে সাপোর্ট পাচ্ছিল না। তিনি বলেন, তার সহায় সম্পত্তি উদ্ধার ও অভিযুক্তদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত হাল ছাড়বেন না।অভিযুক্ত প্রভাবশালী হওয়ার ফলে তাদের জন্য বিচারের ধারায় ধীরগতিতে সে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, স্থানীয় এমপি, শীর্ষ আইনশৃংখলা বাহিনীর অফিসসহ সংশ্লিষ্ট অফিসে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। আশাকরি তাঁরা এর সুষ্ঠু সমাধান করে আমার ন্যায় বিচার পাইয়ে দেবেন। আমি প্রশাসনের নিকট তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবী জানায়।
রুহুল কাদেরের অভিযোগের বিষয়ে তার একভাই আনসারুল আজিম জানান, সে একজন আর্মির রিটায়ার্ড অফিসার ওই সব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। তাকে কেউ কিছু করেনি, বলেনি।এসব পাগলের বিলাপছাড়া কিছু নয়।সে ডাহা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অফিসে দরখাস্ত বা অভিযোগ দিয়ে তাদের মানসম্মান ক্ষুন্ন করছে। তারপর সে বাড়িতে আসলে ভাই হিসাবে তাকে সমাদর করেন সবাই।আর ঘরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু সে কিছু দিন ভালোমতোই অবস্থান করেন, হঠাৎ কোথাও নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। অতঃপর আড়ালে গিয়ে ডাহা মিথ্যাচার করে এই অফিস/সেই অফিসে অভিযোগ একটি করে বসেন। তিনি বলেন, তার জমির অংশ বিক্রি করে দিয়েছেন অনেক আগেই। সব ডকুমেন্ট আছে, যে কেউ দেখতে চাইলে তার কোন আপত্তি নেই বলে জানান।
ভয়েস/ জেইউ।