সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু উৎসব করতে পারে, শুধু বঙ্গবন্ধুর অনুসারী মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
যারা পরাজিত শক্তির রাজনীতি করে, তারা এ উৎসব করতে পারে না। কারণ উৎসব করার মতো তাদের কোন ইতিহাস নেই। বঙ্গবন্ধু বিজয়ের নেতা, উৎসবের নেতা। বঙ্গবন্ধু এদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। জাতীয় পতাকা দিয়েছেন, জাতীয় সংগীত দিয়েছেন। গোলামীর জিঞ্জির ভেঙ্গে একটি পরাধীন জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। গত রবিবার (১৩ মার্চ) রাত ১০টায় রামু স্টেডিয়ামের বঙ্গবন্ধু উৎসবের তৃতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলা বিজয়ের ৫০ বছর ও জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রামুতে বঙ্গবন্ধু উৎসবের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কবীর মেম্বার। বঙ্গবন্ধু উৎসব পরিষদের কো-চেয়ারম্যান নীতিশ বড়–য়ার স্বাগত বক্তব্যে আলোচনা সভায় শুরু হয়।
প্রধান অতিথি এড. সিরাজুল মোস্তফা বলেন, শেখ হাসিনা যে স্বপ্ন দেখেন, তা বাস্তবায়নও করেন। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমরা আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা সেভাবেই কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে, তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশকে যে সংগঠন স্বাধীনতা দিয়েছে, সেই সংগঠনকে ভালোবাসো। দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তোলার উপযুক্তা নিজের মধ্যে সৃষ্টি করুন। লেখাপড়া করুন শিক্ষা নিন, সেভাবে পথ চলুন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর দ্বারা আচর-আচরণে, কথায় কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায়। মানুষের মন জয় করতে পারলে, আগামীতে বিজয় আবার আমাদের হবে।
যুগ্ম-মহাসচিব আনছারুল হক ভূট্টোর সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধু উৎসবের তৃতীয় দিনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুুবুল হক মুকুল, কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল, ভারুয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি কাজী সিরাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী, জেলা যুবলীগ নেতা কুতুব উদ্দিন ও মীর্জা ওবাইদ রুমেল প্রমুখ।
ভয়েস/ জেইউ।