বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

এক কোটি মানুষ পাবে বিশেষ কার্ড: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা এক কোটি মানুষকে স্পেশাল কার্ড দিয়ে দেবো। সেই কার্ড দিয়ে ন্যায্যমূল্যে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় কয়েকটি জিনিস কিনতে পারবে।’ মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) গণভবনে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌‘আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম বেড়ে যায় তখন খুব বেশি তো আমাদের কিছু করার থাকে না। এ ক্ষেত্রে কিছু তো কম্প্রোমাইজ করতে হবে। তবে রোজার সময় দ্রব্যমূল্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যে ৩৮ লাখ লোককে আমরা টাকা দিচ্ছি, সেটা তো থাকবেই। সেটা ধরে আমরা আরও এক কোটি লোককে বিশেষ কার্ড করে দেবো।’

তিনি বলেন, ‘এর বাইরে ৫০ লাখ লোককে একটি কার্ড দেওয়া আছে, তা দিয়ে তারা মাত্র ১০ টাকায় চাল কিনতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা আছে।’

জনগণ যাতে ভালোভাবে বাঁচতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারের কাছে যথেষ্ট খাদ্য মজুত আছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এখনও ১৮ লাখ টন খাদ্য মজুত আছে আমাদের। সেখানে কোনও অসুবিধা নেই।’

ফসল উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কারও এতটুকু জমি যেন অনাবাদি না থাকে। যে যা পারেন সেটাই উৎপাদন করেন। প্রত্যেকটা এলাকাই কিছু না কিছু উৎপাদন হবে। সেটাই আমার লক্ষ্য। আমাদের যে খাদ্য চাহিদা সেটা যেন পূরণ করতে পারি।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি অংশগ্রহণ না করার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌‘রাষ্ট্রপতি যখন আমাদের সবাইকে সংলাপে ডাকলেন, আমরা গেলাম। কিন্তু বিএনপি যায়নি। তারা আসলে যাবেই বা কী? তারা ক্ষমতায় গেলে কে তাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন? কে নেতৃত্ব দেবেন? একজন হচ্ছেন এতিমের টাকা খেয়ে সাজাপ্রাপ্ত। আরেকজন ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ আরও বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক।’

তারেক জিয়ার নাম উচ্চারণ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‌‘২০০৭ সালে থেকে ওখানে বসে বসে… আমি এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি তার সুবিধা নিচ্ছে, এটা ঠিক। বিএনপির আসলে তেমন কেউ নেই, তারা এটা-সেটা উল্টাপাল্টা বলেই যাচ্ছে, বলেই যাবে; কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, জনগণ যাতে ভালো করে বাঁচতে পারে।’

মতবিনিময় সভায় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাতীয় পার্টির (জেপি) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুর বশর মাইজভান্ডারী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির শাহাদাত হোসেনসহ ১৪ দলের নেতারা অংশ নেন।সুত্র: বাংলাট্রিবিউন।

ভয়েস/ জেইউ।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION