শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
গত ৩ র্মাচ শাপলাপুরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন এর সময় তোলা ছবি। ছবি-ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। ভয়েস ডেস্ক:
তাবলীগ জময়াতি দ্বীনি ভাইরা পাড়া – মহল্লায় গিয়ে বেনামাজী, সুদ খোর, মদ্যপায়ীদের বুঝিয়ে অনেকজনকে দ্বীনি পথে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।এই দ্বীনি দাওয়াত চলবে কিযামতের বাঁশি বেজে উঠা পর্যন্ত।
শাপলাপুর সহ মহেশখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলের টিলা -টংকর কেটে ও আগাছা পরিস্কার করে পরিত্যক্ত ভূমিতে পান বরজ করে মহেশখালীবাসী বছরে কোটি কোটি টাকা পান থেকে আয় করতে সক্ষম হয়।
চকরিয়া সুন্দর বনে হাজার হাজার একর পরিত্যক্ত বাইন ও কেওড়া বাগান কেটে লোকজনের মাঝে ইজারা দেয়ায় লবণ ও চিংড়ী উৎপাদন করে হাজার হাজার কোটি টাকা অায় করছে এ দেশের পরিশ্রমিক লোকজন।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা পরিত্যক্ত ভূমিতে শিল্প কারখানা নির্মাণ করে হাজার হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ হয়েছে।
নিজ দলের নেতা – কর্মীদের ভাল দিকটা জনগণের কাছে তুলে ধরে অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীদের ভাগিয়ে এনে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্য হচ্ছে হাইকমান্ডের নেতাদের। যেমনঃ টেকনাফের আলোচিত এজাহার কোম্পানি কে কক্সবাজার পালংকিতে এক বৈঠকে বি এন পি থেকে সংসদ নির্বাচনের টিকেট দেযার কথা ছিল। কিন্তু পরে বিপরীত হয়ে গেল। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে এজাহার কোম্পানি বলেছিল পেটের সন্তান দিয়ে ধানের শীষের বিপক্ষে নির্বাচন করে চমক দেখাবেন। যেমন কথা ; তেমন কাজ। ঠিকই আবদুর রহমান বদি নৌকা নিয়ে বিজয় হলেন। পরে অদ্যবদি বহাল রয়েছে বদির পরিবার। উখিয়া ও টেকনাফ আওয়ামী লীগ কে চাঙ্গা করতে বদির যা যা দরকার তা বরাবরই করে যাচ্ছে। সাব কথা বি এন পি থেকে উঠে আসা।
মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়ার বড় ভাই আবু বক্কর ছিদ্দিক উপজেলা বি এন পির সভাপতি। ছোট ভাই আতা উল্রাহ বোখারী ও বি এন পি নেতা। এই পরিবার থেকে একজন আওয়ামী লীগ নেতা তুলে এনে বুদ্ধিমানের পরিচয় দিলেন সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক।এমন কি গোরকঘাটাকে রাজাকার পাড়া বলা হতো একসময়ে। সাংসদ অাশেক সেই ঘাঁটি ভাঙ্গলেন মকছুদকে হাতে নিয়ে। এতে মকছুদ এর চেয়ে দল এখন লাভবান বেশী হয়েছে। যার কারণে মকছুদ কে রাজাকারের ছেলে বলার সুযোগ নেই।
গেল ইউপি নির্বাচনে দিদারের সমর্থক দের ঢল দেখে কেউ তাঁর বিপরীতে নৌকার টিকেট নিতে সাড়া দেয়নি।দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে শাপলাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং অন্যান্যদের সুপারিশে নৌকার টিকেট অবশেষে খালেক চেয়ারম্যানের হাতে দিলেন দলের হাইকমান্ড থেকে। এই টিকেট বন্দুক যুদ্ধ করে আনা হয়নি। দিদারের বিপক্ষে নির্বাচন করার মতোই যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় খালেক চেয়ারম্যান কে দিতে বাধ্য হয়েছে। ঠিক মেধা ও জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগিয়ে নৌকার বিজয় চিনিয়ে আনলেন খালেক চেয়ারম্যান। এতে খালেক এর চেয়ে দল লাভবান বেশী হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীন কোন্দল কে ইফতার মাহফিল নামে প্রকাশ্যে মাইকে একজন উচ্চ শিক্ষিত জনপ্রতিনিধিকে কটাক্ষ করে কথা বলল্লেই ব্যক্তি খালেক ছোট হবে না। দল ক্ষতির বিষ ফোটা হবেন সমালোচনা কারীরা।
দলের জন্য শুভাকাঙ্ক্ষী হলে খালেক চেয়ারম্যান এর মতো আরো নেতা- কর্মী বাড়ানো হবে আপনাদের বুদ্ধিমানের কাজ। দল থেকে বুদ্ধিজীবিদের বিয়োগ করার চেয়ে যোগ করার মনমানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া শ্রেয়।
সাংবাদিক ছালাম কাকলীর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে সংগৃহীত।
ভয়েস/জেইউ।