সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে’ রেজুখালে গোসলে নেমে কিশোরের মৃত্যু সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান

প্রাণে বাঁচতে ১০ হাজার মানুষ মিয়ানমার থেকে পালিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সেনাবাহিনী এবং জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বুধবার থেকে চলা ভয়াবহ লড়াই থেকে বাঁচতে মিয়ানমারের প্রায় ১০ হাজার নাগরিক পালিয়ে থাইল্যান্ড চলে গেছে। শুক্রবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই বাসিন্দারা সামরিক সমর্থক মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত এবং চীনা মালিকানাধীন ক্যাসিনোর শহর শ্বে কোক্কো থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।

দুই বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এবারই প্রথম একসঙ্গে এতো মানুষ মিয়ানমারের সীমান্ত পাড়ি দিলো। এ ব্যাপারে এখনও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (কেএনএলএ) এবং এর সহযোগীরা বুধবার শ্বে কোক্কোর কাছে সামরিক ফাঁড়ি এবং একটি তল্লাশি চৌকিতে আক্রমণ শুরু করে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৮০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে বলে কেএনএলএ বিবিসি থাইকে জানিয়েছে।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাহায্য কর্মীরা থাইল্যান্ডের মায়ে সোট এবং মায়ে রামাত অঞ্চলে জরুরি মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ শরণার্থীরা স্কুল, মঠ এবং রাবার খামারগুলিতে আশ্রয় চাইছেন।

মে সোটের একটি মঠের একজন বার্মিজ স্বেচ্ছাসেবক জানিয়েছেন, মঠে ৫০০ শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ‘দীর্ঘমেয়াদে, আমাদের আরও দাতা প্রয়োজন’ বলেন ওই স্বেচ্ছাসেবক।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির লড়াই তীব্র হয়েছে। স্বায়ত্ত্বশাসনের দাবিতে, সীমান্তবর্তী রাজ্যের এই গোষ্ঠীগুলো এক দশকেরও বেশি সময় ধরে লড়াই করে আসছে। সম্প্রতি এই গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ক্ষমতাচ্যুত সু চির দলের নেতারা। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ) নামের একটি বাহিনীও গঠন করেছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION