বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ উখিয়ার সোনাইছড়িতে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হারের পর ইউনাইটেড কর্তাদের একহাত নিলেন মার্টিনেজ কক্সবাজার রেল স্টেশনে আরও একটি রেল যুক্ত হচ্ছে: ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস খুরুলিয়ায় সিএনজিতে মিলল ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা

বিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধষর্ণের পর গলা কেটে হত্যা মামলাটি মাত্র ৪ কার্যদিবসে কার্যক্রম শেষ করে পঞ্চম কার্যদিবস ৭ জুন রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ চারদিন আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি সোহেল রানাকে আনা হয় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে। আর স্বপ্নাকে আদালতে আনা হয় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে।

মামলার ৪ দিনই সোহেলের মুখে ডলারে নাম প্রকাশ, কখনও মুর্ছা গেছেন স্বপ্না, কখনও অসুস্থ, কখনও অজ্ঞান, কখনও কাঁপাকাঁপি করার ভানসহ নানান নাটক করে চলেছেন স্বপ্না।

শুনানির দিনগুলোতে অসুস্থ কিংবা মুর্চ্ছা যাওয়ার ভান করলে বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) কর্মকাণ্ড অতীতকে ছাড়িয়ে গেছে। এদিন বিচার চলাকালীন সারাক্ষণ কাঁদতে দেখা গেছে তাকে। সোহেল রানাকেও বারবার তার স্ত্রীর দিকে তাকাতে দেখা যায়।

এক পর্যায়ে হঠাৎ করে দুপুর ১টার দিকে স্বপ্না তেড়ে মারতে যান তার স্বামী আসামি সোহেল রানাকে। আসামির ডকে তখন দুই নারী পুলিশ তাকে নিবৃত করেন। আদালতের মধ্যেই নারী পুলিশ চড় তোলেন তাকে মারার জন্য। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতে হঠাৎ সামান্য শোরগোল শোনা যায়।

তখন বিচারক পরিস্থিতি হস্তক্ষেপে করেন। তিনি আসামিদের বলেন, ‘‘আপনারা দুজনে যুক্তিতর্ক নীরবে শোনেন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ শুনানিতে আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ আপনারা যুক্তিতর্ক শোনেন। না হলে আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে। যুক্তিতর্ক শুনানিতে আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। এরপরও অঝোরে কাঁদেন স্বপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন সোহেল।

আসামি সোহেলও কম যান না। আদালতে আনা নেওয়ার পথে ‘ডলার’ নাটক মঞ্চস্থ করেন। কখনও পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হওয়ার ভান করেন। আবার কখনও কখনও আদালতে বলেন, ‘‘দোষ আমি করেছি, আমার স্ত্রী কোনও দোষ করেনি।’’ বৃহস্পতিবার স্ত্রী স্বপ্না সারাক্ষণ কাঁদার সময় তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন সোহেল।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION