রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

বিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধষর্ণের পর গলা কেটে হত্যা মামলাটি মাত্র ৪ কার্যদিবসে কার্যক্রম শেষ করে পঞ্চম কার্যদিবস ৭ জুন রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ চারদিন আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি সোহেল রানাকে আনা হয় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে। আর স্বপ্নাকে আদালতে আনা হয় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে।

মামলার ৪ দিনই সোহেলের মুখে ডলারে নাম প্রকাশ, কখনও মুর্ছা গেছেন স্বপ্না, কখনও অসুস্থ, কখনও অজ্ঞান, কখনও কাঁপাকাঁপি করার ভানসহ নানান নাটক করে চলেছেন স্বপ্না।

শুনানির দিনগুলোতে অসুস্থ কিংবা মুর্চ্ছা যাওয়ার ভান করলে বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) কর্মকাণ্ড অতীতকে ছাড়িয়ে গেছে। এদিন বিচার চলাকালীন সারাক্ষণ কাঁদতে দেখা গেছে তাকে। সোহেল রানাকেও বারবার তার স্ত্রীর দিকে তাকাতে দেখা যায়।

এক পর্যায়ে হঠাৎ করে দুপুর ১টার দিকে স্বপ্না তেড়ে মারতে যান তার স্বামী আসামি সোহেল রানাকে। আসামির ডকে তখন দুই নারী পুলিশ তাকে নিবৃত করেন। আদালতের মধ্যেই নারী পুলিশ চড় তোলেন তাকে মারার জন্য। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতে হঠাৎ সামান্য শোরগোল শোনা যায়।

তখন বিচারক পরিস্থিতি হস্তক্ষেপে করেন। তিনি আসামিদের বলেন, ‘‘আপনারা দুজনে যুক্তিতর্ক নীরবে শোনেন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ শুনানিতে আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ আপনারা যুক্তিতর্ক শোনেন। না হলে আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে। যুক্তিতর্ক শুনানিতে আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। এরপরও অঝোরে কাঁদেন স্বপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন সোহেল।

আসামি সোহেলও কম যান না। আদালতে আনা নেওয়ার পথে ‘ডলার’ নাটক মঞ্চস্থ করেন। কখনও পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হওয়ার ভান করেন। আবার কখনও কখনও আদালতে বলেন, ‘‘দোষ আমি করেছি, আমার স্ত্রী কোনও দোষ করেনি।’’ বৃহস্পতিবার স্ত্রী স্বপ্না সারাক্ষণ কাঁদার সময় তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন সোহেল।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION