শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে-সালাহউদ্দিন আহমদ  কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ আর্জেন্টিনা জিতলে কেন বিয়ে করবেন পরীমণি? মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে অটোপাস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 বাংলাদেশের মারাত্মক পরিবেশগত ক্ষতির কারণ রোহিঙ্গারা: প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে মারাত্মক সামাজিক এবং পরিবেশগত ক্ষতির কারণ হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপ্টেশন (জিসিএ) এর সঙ্গে বাংলাদেশ ভার্চুয়াল ক্লাইমেট ভ্যালেনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিভিএফের বর্তমান সভাপতি হিসাবে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জিসিএ চেয়ারম্যান বান কি মুন সিভিএফ দেশগুলোর রাষ্ট্রপতি এবং সরকার প্রধান, যুক্তরাজ্য এবং ইতালি (সিওপি-এর হোস্ট এবং সহ-হোস্ট), নেদারল্যান্ডস, সিভিএফ থিম্যাটিক রাষ্ট্রদূত এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা আমাদের সময়ের বিশ্বে পরিবেশগত ক্ষতির চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাবগুলো আমাদের সভ্যতার ক্ষতি করছে, আমাদের গ্রহকে ধ্বংস করছে এবং আমাদের অস্তিত্বকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। আমরা, সিভিএফ নেতারা এবং আমাদের অংশীদারগণ, ২০২০ সালে এনডিসি বর্ধনের সময়সীমার আগে জলবায়ু জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় জরুরি এবং শক্তিশালী বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানাই।

বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরামের নেতৃত্বের জন্য নির্বাচিত হয়ে সম্মানিত হয়েছে। সিভিএফ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল দেশের এক বিলিয়ন মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে তুচ্ছ অবদানের পরেও সিভিএফ দেশগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সভাপতি হিসাবে, আমাদের ফোকাস বিশ্ব তাপমাত্রা-বৃদ্ধিকে ১.৫ ডিগ্রি নীচে অব্যাহত রাখা, অর্থায়ন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করা এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার কথা তুলে ধরে। আমরা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি ইউএন স্পেশাল রেপার্টার নিয়োগ এবং একটি সিভিএফ এবং ভি-২০ যৌথ মাল্টি-ডোনার তহবিল তৈরির ওপরও জোর দেব।

বাংলাদেশ ঢাকায় গ্লোবাল সেন্টার অব অ্যাডাপ্টেশনের জন্য দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক অফিস চালু করে ১৯ সেপ্টেম্বর।

আমার দেশ এই বর্ষায় বারবার বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে এবং বিশাল মানুষকে বাস্তুচ্যুত করছে। গত মে মাসে সুপার ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব এবং বর্তমান কোভিড -১৯ মহামারীর কারণে পরিস্থিতি আরও বেড়ে যায়।

কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে মারাত্মক সামাজিক এবং পরিবেশগত ক্ষতির কারণ হয়েছে।

জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্থ ফোরাম (সিভিএফ) পৃথিবীর উষ্ণতা কমাতে একটি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সংস্থা যা ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। ফোরামটি বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অংশগ্রহণকারী সরকারগুলোকে একত্র হয়ে কাজ করার জন্য দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। ২০১১-১৩ সালে সিভিএফ সভাপতি হিসাবে সফল মেয়াদ শেষে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো ২০২০-২২ সালের জন্য সিভিএফের এ পদ আবারও গ্রহণ করেছে। সূত্র:বার্তা২৪।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION