রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
এসএম রুবেল, মহেশখালী
মহেশখালী পৌরসভার দঃঘোনাপাড়ায় এক নিরীহ পরিবারের উপর সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তদের সন্ত্রাসী স্টাইলে দফায় দফায় আক্রমণ করে মা-ছেলেসহ অন্তত ৪ জনকে আহত করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানান, গতকাল সকালে ঘোনপাড়ার বাসিন্না মাঝি স্থানীয় ধানু মিয়ার পুত্র ফরিদুল আলমের ৮ বছরের ছেলেকে চড় থাপ্পড় দিয়ে বাসায় না বলতে আইসক্রিম কিনে দেয়।
ফরিদুল আলম বলেন, ছেলেকে মারার বিষয়টি জানতে স্থানীয় বাসিন্ন মাঝি থেকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে মারার বিষয়টি স্বীকার আরো উত্তেজিত হয়ে মারলে কি হয়েছে এমন কথায় তর্কবিতর্ক চলে উভয়ের মাঝে।এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।
তিনি আরো জানান, ঘটনা প্রায় শেষ হয়ে যায়। পরে বাসিন্ন মাঝির শ্বাশুর বাড়ির লোকজন ফারুক মাঝির নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন লোক লম্বা দা- কিরিছ, লোহার রড় দিয়ে প্রায় জোহরের সময় বাড়িতে গিয়ে মা বৃদ্ধ ফরাস খাতুন দুই ভাই ও ফরিদুল আলমকে সহ মারধর করে গুরতর আহত করে। বেশি মারধর করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে হুমকি দিয়ে চলে আসে।
এই ঘটনার পর আহত ফরাস খাতুন (৭০) কে নিয়ে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা করতে নিয়ে যায় তার পরিবার। এই সুযোগে দ্বিতীয়বার সংঘবদ্ধ হয়ে ফারুক মাঝির নেতৃত্বে ফরিদুল আলমের ভাই আহত খাইরুল আমিনকে হাসপাতাল যাওয়ার পথে একই এলাকার সাইক্লোন শেল্টার ধরে নিয়ে গিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয়। মাথায় কোপ দিয়ে মারাত্মক আহত করে।
ফরিদুল আলম আরো জানান, বর্তমানে তার মা ফরাস খাতুনকে মহেশখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আর খাইরুল আমিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মরা বাঁচার অবস্থা।
তিনি জানান, হামলা করার সময় ছিল বাসিন্ন মাঝি, ফারুক মাঝি, খাইরুল বশর, খাইরুল আমিন, বাসিন্না মাঝির ছেলে আলমগীর ও তার ছোট ভাই।
ঘটনার কারণে বলেন, বাসিন্না মাঝির বাড়ি থেকে কে বা কারা ছোট টাংকি ভাঙ্গা নিয়ে পথচারী ভাঙ্গারী দোকানে বাদাম খায়। ওই সময় তার ছেলে নানার বাড়িতে ছিল। আমার ছেলে ছিলনা অথচ তারা অনেক জুলুমের পর জুলুম করে এতবড় সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটায়।
ভয়েস/জেইউ।