শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান সম্ভাব্য আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা স্পিকার হাফিজ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ঘূর্ণিঝড় আম্পান: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী

ভয়েস প্রতিবেদক:

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা শিবিরে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির

অবনতি হলে রোহিঙ্গা শিবিরের আশপাশে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাকা ভবন আছে সেগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।বিষয়টি নিশ্চিত করে আইএসসিজির মুখপাত্র সৈকত বিশ্বাস বলেন, ক্যাম্পগুলোতে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে উখিয়া-টেকনাফে ৩৪টি শিবিরে সিপিপি সদস্য, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ইউনিট, সাইট ম্যানেজমেন্ট ভলান্টিয়ারসহ ক্যাম্পে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসু দ্দৌজা বলেন, জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে দুইটি প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। ক্যাম্পে কর্মরত সব স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে তো প্রস্তুতি রয়েছেই। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় কক্সবাজারে পাঁচ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া প্রয়োজন হলে সেখানে যেন শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা যায় সেজন্য আট উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডিসি কামাল হোসেন আরও বলেন, অমরা ধারণা করছি, এ ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানবে না। তবুও আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাদ্য সংকট যেন না হয় সেই প্রস্তুতিও আমাদের রয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’’ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে সেনাবাহিনী ও ভলান্টিয়ারদের যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, আরআরসি, এনজিও, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সদস্য ও ক্যাম্পে বসবাসরত প্রশিক্ষিত রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণ করে।

রামু সেনানিবাসের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আপদকালীন সময়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার যেমন মুড়ি, চিড়া, গুড় ইত্যাদি প্যাকেটজাত করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো। সেনানিবাস কর্তৃক জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন তথ্যের জন্য রামু সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION