শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ৬০টির বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে মিয়ানমার সীমান্তে আতঙ্ক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

ডা. ইফতেখার মাহমুদকে বিশেষ সম্মাননা দিল কক্সবাজার প্রেসক্লাব

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

কক্সবাজারের কৃতি সন্তান, এফএএপির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হোপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনের টাফ্ট ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিসিন এর ফ্যাকাল্টি ডা. ইফতেখার মাহমুদ মিনারকে বিশেষ সম্মাননা হিসেবে আজীবন সদস্য পদ দিয়েছে কক্সবাজার প্রেসক্লাব।

শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তাঁর হাতে সম্মাণনা ক্রেস্ট ও আজীবন সদস্য পদের চিঠি তুলে দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সম্মাননার জবাবে ডা. ইফতেখার মাহমুদ বলেন, আমি খুবই সাধারণ লোক। আমি খুবই ভাগ্যবান। সবসময় আমি ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম। গরীব লোকজনকে সেবা দিতে পেরে ভালো লাগতো। আমি আমেরিকা গেলেও দেশকে, দেশের মানুষকে ভুলিনি। প্রেসক্লাবের দেওয়া এই সম্মাননা আমার জন্য অনেক বড় অর্জন। যাদের কাছে আমি বড় হয়েছি, যাদের সামনে আমি বড় হয়েছি, যারা আমার কাজটা সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেছেন, তাদের কাছে স্বীকৃতি পাওয়া অনেক বড় ব্যাপার। আজ মনে হচ্ছে আমি সত্যিই সফল। আমার আব্বা বেঁচে থাকলে তিনি আজ অত্যন্ত খুশি হতেন।

তিনি বলেন, এই সম্মাণনা দেওয়াার জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের কাছে আর কিছুই চাওয়ার নেই। ৩২ বছরে বাইরে থেকে যা আমি পাইনি, আজ তা পেলাম। আমি কক্সবাজারের একজন, আমার জন্ম কক্সবাজারে। ৩২ বছর বাইরে থাকলেও আমি কক্সবাজারকে ভুলিনি। আপনারা যেমন আমাকে অন্তরে রেখেছেন, আমিও আপনাদের অন্তরে রেখেছি।

ডা. ইফতেখার মাহমুদ আরও বলেন, মাতৃ মৃত্যুর হার শূণ্যে নামিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সফলতা এলে সেটি হবে বিরাট অর্জন। আমার স্বপ্ন হোপ ফাউন্ডেশনকে বাংলাদেশে একটা মডেল হিসেবে দাঁড় করাবো। ১৯৯৯ সালে হোপ ফাউন্ডেশন শুরু করি। আস্তে আস্তে সেটি মহীরুহে পরিনত হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ডা. ইফতেখার মাহমুদ বলেন, ‘আমরা অনেক ভুল করেছি, কিন্তু সব সময় আপনাদের সহযোগিতা পেয়েছি। আমি জানি আপনারা আমাকে ভালোবাসেন। এই ভালোবাসা আজীবন পেতে চাই।’

কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম বলেন, দেশের বাইরে দেশের জন্য প্রতিনিয়ত সুনাম বয়ে আনছেন ডা. ইফতেখার মাহমুদ। তিনি নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে আমাদের আরও সেবা দিয়ে যাবেন সেই প্রত্যাশা করি। আজ তাকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

মতনিবিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ আমরা এমন একজন ব্যক্তিকে সম্মাননা দিতে চলেছি, যিনি কক্সবাজারের সন্তান, কক্সবাজারের অহংকার, দেশের অহংকার, বিশ্বের অহংকার। সর্বত্র তাঁর সুনাম। কারণ মানুষের সেবায় তিনি নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি চাইলে এই ধরনের মানবসেবা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারতেন। করোনা মহামারীর কঠিন পরিস্থিতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান যখন ভয়ে, আতংকে সেবা প্রদান থেকে বিরত থেকেছে তখন তাঁর প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। আমাদের কক্সবাজারের যারা কৃতি সন্তান আছে তাদের প্রতি আমার অনুরোধ ডা. মিনারকে যেন তাঁরা অনুসরণ করেন।

এসময় ডা. ইফতেখার মাহমুদকে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য পদ দেওয়ার ঘোষণা করেন আবু তাহের।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বদিউল আলম, হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর জাহেদ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এসময় দৈনিক প্রথম আলোর কক্সবাজার অফিস প্রধান আব্দুল কুদ্দুস রানা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমিনুল হক, মমতাজ উদ্দিন বাহারীসহ কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION