বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে-সালাহউদ্দিন আহমদ  কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ আর্জেন্টিনা জিতলে কেন বিয়ে করবেন পরীমণি? মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে অটোপাস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেকনাফ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ!

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। মিয়ানমারের মোংডু-আকিয়াব বন্দরে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় কারণে রবিবার (৫ জুলাই) থেকে সেখান থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কোনও বাণিজ্যিক ট্রলার আসবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে শনিবার (৪ জুলাই) টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে একটি পণ্যের চালান গেছে মিয়ানমারে।

মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ‘সেদেশের সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা নিশ্চিত করেছেন রবিবার থেকে সেখান থেকে কোনও পণ্যবাহী ট্রলার ছাড়বে না। সেখানে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় সেদেশের কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কত দিন এই নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে সেটি বলেনি তারা।’

তিনি জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের আকিয়াব থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কোনও ধরনের পণ্যবাহী ট্রলার আসেনি। শুধু মোংডু থেকে শুক্রবার একটি ট্রলার আসে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকলে বাজারে মালামাল সংকট ও বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে টেকনাফ স্থলবন্দর জেটি ঘাটে গেলে মিয়ানমারে কোনও পণ্যবাহী ট্রলার চোখে পরেনি। বন্দর ও জেটি ছিল প্রায় খালি। তবে ছোট পণ্যবাহী একটি ট্রলার থেকে বেশ কিছু শ্রমিক মালামাল আনলোড করছিলেন। এসব পণ্য শুক্রবার বিকালে মোংডু থেকে টেকনাফের আট ব্যবসায়ীর কাছে আসে। সেখানে শুটকি, আদা, সুপারিসহ প্রায় দেড়’শ টন বিভিন্ন মালামাল ছিল।

টেকনাফ স্থলবন্দরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা জানান, টেকনাফই হলো মিয়ানমারের সঙ্গে আমদানি-রফতানির একমাত্র স্থলবন্দর। টেকনাফ স্থলবন্দর হলেও মূলত নদীপথ ব্যবহার করেই এই পথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য হয়। এটি একটি আমদানিনির্ভর স্থলবন্দর। মিয়ানমার থেকে কাঠ, চাল, মাছ, শুঁটকি, আদা, হলুদ, আচার, তেঁতুল, চকলেট, মসলা, মৌসুমি ফল আমদানি হয়। আর বাংলাদেশ থেকে বেশি যায় প্লাস্টিক পণ্য। এ ছাড়া সীমিত পরিসরে তৈরি পোশাক, সিমেন্ট ও ওষুধও রফতানি হয়। মিয়ানমারের মোংডু ও আকিয়াব থেকেই মূলত পণ্য আসে।

স্থলবন্দরের নুরু মাঝি জানান, গত ২৫ জুন মিয়ানমার আকিয়াব বন্দরে কয়েকজন মাঝিমাল্লার করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এরপরই আকিয়াব থেকে কোনও পণ্যের চালান আসেনি টেকনাফ স্থলবন্দরে। শনিবার মোংডু থেকেও কোনও পণ্যবাহী ট্রলারও আসেনি। তবে একই দিন সকালে টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে একটি পণ্যবাহী ট্রলার রওনা দিয়েছে মিয়ানমারের উদ্দেশে।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে আকিয়াব বন্দর থেকে কোনও ধরনের পণ্যবাহী ট্রলার আসেনি। তবে গত শুক্রবার মোংডু থেকে পণ্যবাহী একটি ট্রলার এসেছে। ব্যবসায়ী কাছ শুনেছি সেখান থেকেও রবিবার থেকে কোনও পণ্যবাহী ট্রলার আসবে না। তবে বন্দরের অন্যন্য কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এখান থেকে শনিবার একটি পণ্যবাহী ট্রলার মিয়ানমারে গেছে।’

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী সোহেল আহমদ জানান, টেকনাফ দিয়েই মূলত বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য চলে। এখন করোনার কারণে মিয়ানমার থেকে মালামাল আসা অকেন কমে গেছে। তিনি বলেন, ‘মোংডুর ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন রবিবার থেকে তারা কোনও মালামাল পাঠাতে পারবেন না। কারণ সেখানে করোনা রোগী পাওয়ায় লকডাউন চলছে।’

আমদানিকারক যদু চন্দ্র দাশ জানান, কিনে রাখা ৩’শ বস্তা আদা আকিয়াব বন্দরে রয়েছে। এগুলো আনা যাচ্ছে না। সেখানে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কারণে বন্দর লকডাউন চলছে। এই লকডাউন ১৪ দিন পর খোলার সম্ভাবনা রয়েছে।

টেকনাফ স্থল বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য না আসার ব্যপারে আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত নই।’ সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION