বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে-সালাহউদ্দিন আহমদ  কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ আর্জেন্টিনা জিতলে কেন বিয়ে করবেন পরীমণি? মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে অটোপাস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজারে মজুদ আছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৪ মে.টন লবণ

ইমাম খাইর:
দেশীয় শিল্প ধ্বংস করে লবণ আমদানিতে আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে সেই পুরনো শক্তিশালী সিন্ডিকেটটি। তারা ইতোমধ্যে পরিকল্পনা নিয়েছে- যে কোন মূল্যে মন্ত্রণালয়কে ম্যানেজ করবে, বিদেশী লবণ দেশে ঢুকাবেই। অথচ, দেশে লবণের কোন ঘাটতি নেই। যা আছে তা দিয়ে আগামী লবণ মৌসুমও অতিক্রম হবে।
বিসিক সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে লবণ মজুদ আছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৪ মে.টন।
এ বছর লবণ উৎপাদন হয়েছিল ১৫ লাখ ৭০ হাজার মে. টন। গত বছরের উদ্বৃত্ত ছিল ৪ লাখ ২২ হাজার মে. টন।
প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ চাহিদার বিপরীতে দেশে লবণ মজুদ আছে ২০ লাখ ১২ হাজার মে. টন।
সব মিলিয়ে মোট লবণ উদ্বৃত্তের পরিমাণ ১ লাখ ৬২ হাজার মে. টন। চার মাস পরের নতুন মৌসুম শুরু হবে। এই মৌসুমে লবণের ঘাটতি নেই।
তথ্যগুলো রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করেন বিসিক কক্সবাজার অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, মোট ৫৭ হাজার ৭২২ একর জমিতে এই মৌসুমে লবণ উৎপাদন হয়েছে। চাষির সংখ্যা ২৮ হাজার ৭৯১ জন।
ডিজিএম জানান, লবণের ন্যায্য মূল্য না থাকা সত্ত্বেও চাষিদের মাঠে নামানোর চেষ্টা ছিল তাদের। তাদের পক্ষ থেকে চাষিদের সর্বোচ্চ উৎসাহ দেয়া হয়েছে। সেভাবে চাষিরাও মাঠে নেমেছেন। বৈরী আবহাওয়াতেও লবণ উৎপাদনে সক্রিয় ছিল চাষিরা। বর্তমানে মাঠে পর্যাপ্ত লবণ জমা আছে। কোন সংকট নেই।
লবণচাষি বাঁচাও পরিষদের সভাপতি সাজেদুল করিম জানান, দাম না পাওয়ায় ১৫ লাখ মে. টনের উপরে লবণ অবিক্রিত রয়েছে গেছে। অনেক মিলেও লবণ রয়েছে। কোন সংকট নেই।
নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারের আমদানিকারক সিন্ডিকেটের সদস্যরা ইতোমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছে। ঢাকাকেন্দ্রিক আমদানি কারকদের সাথে গোপন বৈঠকে কলাকৌশল ঠিক করেছে। মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করতে বড় অংকের বাজেটও করেছে তারা।
আমদানিকারকদের টার্গেট, বিদেশী লবণ দেশে ঢুকানোর অনুমতি নিতে যত টাকাই লাগুক, তারা দিবে। তবু ম্যানেজ করে ছাড়বে। বিসিকের রিপোর্ট তারা পাত্তাই দিচ্ছে না। দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের পকেটেই তাদের কাছে মূখ্য।
লবণ চাষিসহ সংশ্লিষ্টদের অভিমত, আমদানির সুযোগ দিলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস হবে। আগামী মৌসুমে চাষিদের মাঠে নামানো যাবে না।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION