মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

কংগ্রেসে ফাটল:গান্ধী পরিবারে কলহ

ফাইল ছবি

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

পার্টির জ্যেষ্ঠ সদস্যদের হস্তক্ষেপে জোড়াতালি দিয়ে রাজস্থান সংকট থেকে উতরে গেছে কংগ্রেস। রাজস্থানের সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলেও ভারতের অন্যতম রাজনৈতিক দল কংগ্রেস এখন নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে। সংকট এতটাই জোরালো যে, পার্টিতে একাধিক গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। পার্টির বর্তমান প্রধান সোনিয়া গান্ধী পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন। অন্যদিকে শশী থারুরের মতো রাজনীতিকরা সংকট মোকাবেলায় বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে পার্টির সভাপতি নির্বাচিত করা হবে। গতকাল সোমবার টানা সাত ঘণ্টা কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির (সিডব্লিউসি) বৈঠক শেষে এমন সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সোনিয়া গান্ধী। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, রাহুল গান্ধীর আহ্বানেই সোনিয়া গান্ধী এই দায়িত্ব পালনে সম্মত হন। পার্টি নেতা গুলাম নবী আজাদ, আনন্দ শর্মা ও মুকুল ওয়াসনিক এক লিখিত চিঠিতে বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে কংগ্রেসে কোনো সংকট নেই। রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর প্রতি তাদের পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে বলেও চিঠিতে বলা হয়। তবে পর্যবেক্ষকরা তা মানতে নারাজ।

কংগ্রেসের একাধিক নেতা মনে করেন, কেউ যখন কংগ্রেসের ভালোর জন্য কোনো পরামর্শ দেন, তখন তাকে শত্রু বানিয়ে দেওয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে তারা সিনদিয়ার কথা বলেন। সিনদিয়া যখন সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন তখন তাকে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুলে অভিযুক্ত করা হয়। এখন একই অভিযোগ তোলা হচ্ছে গুলাম নবী ও কপিল শিবালের প্রতি। শিবাল গতকাল সকালে এক টুইটবার্তায় বলেন, বিজেপির পক্ষে যায় এমন কোনো বক্তব্য তিনি কখনো দেননি। যদিও রাহুল গান্ধীই প্রথম এমন অভিযোগ তুলেছেন।

কংগ্রেস মুখপাত্র রন্দীপ এস সূর্যেওয়ালাও শিবালের পক্ষেই কথা বলেছেন। তবে তার বক্তব্য অনেকটা কৌশলী ছিল। তিনি তার বক্তব্যে একদিকে যেমন শিবালের পক্ষও নেন, আবার রাহুল গান্ধীর সাফাইও গেয়েছেন।

তবে মোটা দাগে কংগ্রেসে প্রশ্নবিদ্ধ গান্ধী পরিবারের নেতৃত্ব। দলটির তৃণমূল নেতৃত্ব আর গান্ধী পরিবারকে দেখতে চাইছে না এমন ইঙ্গিত এবার প্রকট হয়েছে গতকালের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে। এমন ইঙ্গিতের কারণেই মূলত কৌশলে নিজেকে পার্টি প্রধান থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব রাখেন সোনিয়া। কংগ্রেস এখন পার্টির নেতৃত্ব ও গান্ধী পরিবার ইস্যুতে দ্বিধাবিভক্ত। শশী থারুররা অতীত আঁকড়ে থাকতে চাইছেন না। আবার আরেক দল অতীতকে ভিত্তি মেনেই কংগ্রেসকে এগিয়ে নিতে চাইছে।

সূত্র:দেশরূপান্তর।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION