বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টের ঘটনাস্থলে মেয়র মুজিবুর রহমান ভয়েস প্রতিবেদক:
সকাল থেকে থেমে থেমে ব্যবসায়ী ও পুলিশের সংঘর্ষ চলছিল। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ফাঁকা গুলি, রাবারবুলেট ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে। এনিয়ে কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টে আতঙ্কের পরিবেশ সৃস্টি হয়।
পরে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ী এবং প্রশাসনের সাথে কথা বলে অনেকটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে ঠান্ডা হয় বিক্ষোভ।
আদালতের নির্দেশে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় সুগন্ধা পয়েন্টে পয়েন্টে ৫২ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উচ্ছেদ অভিযানে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গীয়াস, সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
গতকয়েকদিন ধরেই সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে আসছিল। মাঝে দোকানদাররা সময় নেয়, কিছু দোকানদার মালামাল সরিয়ে নেয়। কিন্তু শেষ মুহুর্তে প্রশাসনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
উল্লেখ্য, ১অক্টোবর সমুদ্র সৈকতের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২ জনের স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টের দেওয়া রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে ওই ৫২ ব্যক্তির স্থাপনা উচ্ছেদে আইনগত কোনো বাধা ছিলনা।
ভূমি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

সুগন্ধা পয়েন্টের ৫২ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযানে প্রশাসনের তৎপরতা
জানা যায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্টে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সধারী ব্যক্তিরা পরিচালনা করে আসায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল উচ্ছেদের নোটিশ দেয়। পরে জসিম উদ্দিনসহ ৫২ জন একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। একই বছরের ১৬ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।
এর বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ শুনানি শেষে হাইকোর্টের রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে রায় দেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার পৌরসভা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
ভয়েস/জেইউ।