মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল, অবৈধ করাতকল বন্ধে ‘নোটিশ’

পেকুয়ায় একটি অনুমোদনহীন অবৈধ স’মিলে চেরাইয়ের জন্য অবৈধ গাছের স্তুপ -ছবি কক্সবাজার ভয়েস।

মো.ফারুক, পেকুয়া:

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করাতকল বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থাবনবিভাগ

পেকুয়ায় অবৈধ ২৯টি করাতকল (স’মিল) বন্ধ করতে নোটিশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীণ বারবাকিয়া রেঞ্জ কার্যালয়।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে উপজেলার সবকটি অবৈধ করাতকল বন্ধে এ নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল গফুর মোল্লা।

আবদুল গফুর মোল্লা বলেন, পেকুয়া উপজেলায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কাঠ চেরাইয়ের জন্য বেশ কয়েকটি করাতকল স্থাপন করা হয়েছে। কোন করাত কলে সরকারি অনুমোদন নাই। এসব করাতকলে চোরাই গাছ চেরাই করা হয়। তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে এসব করাতকল বন্ধে নোটিশ দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করাতকল বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বনবিভাগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার টইটং, বারবাকিয়া, রাজাখালী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নে ২৯টি অবৈধ করাতকল রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে এ সমস্ত করাতকল সরকারি অনুমোদন না নিয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। যার কারণে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছিল। এছাড়াও এসব করাতকলে চোরাই গাছ চেরাই করে কুতুবদিয়া, মহেশখালীসহ পুরো উপকূলে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সম্প্রতি পেকুয়া পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম অবৈধ করাতকল বন্ধে সংশ্লিষ্টর দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION