শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
বর্তমানে দেশের করোনা পরিস্থিতি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ উদ্বেগজনক অবস্থায় রূপ নিয়েছে। গত ১৪ জুলাই শেষ হওয়া দুই সপ্তাহের ‘কঠোর লকডাউনের’ তাৎপর্যপূর্ণ কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। যদিও ‘লকডাউনের’ কারণে মৃত্যুর পরিস্থিতি বুঝতে আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু সংক্রমণ পরিস্থিতি বলছে, দুই সপ্তাহের ‘লকডাউন’ তেমন কোনো কাজে আসেনি। এখনো উচ্চহারে সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাট, কেনাকাটা ও ঈদযাত্রার সংক্রমণ বর্তমান সংক্রমণের সঙ্গে মিলে ঈদের পর সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই অনেকগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে সংক্রমণের জন্য সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এসব হাটে অ্যান্টিজেন টেস্ট করার সুযোগ থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা পরীক্ষা করছেন না। রাজধানীর ৯ হাটে গত তিন দিনে মাত্র ১৯৬ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এদের মধ্যে মধ্যে যে ১৪ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে ১২ জনই বিক্রেতা ও মাত্র দুজন ক্রেতা। এই ৯ হাটে গতকাল পর্যন্ত মোট শনাক্ত হার ৭ শতাংশ।
এমন পরিস্থিতিতে সাত দিন পর গতকাল সোমবার দেশে আবারও সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে। এ সময় মারা গেছেন ২৩১ জন। এর আগে গত ১১ জুলাই সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ২৩০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে ৭৩, খুলনা বিভাগে ৫৭ ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মারা গেলেন ১৮ হাজার ১২৫ জন।
মৃত্যুর পাশাপাশি গতকাল রোগী শনাক্তের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে। ছয় দিন পর আবারও ১৩ হাজারের ঘরে রোগী উঠেছে। এ সময় শনাক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩২১ জন। এর আগে সর্বোচ্চ রোগীর রেকর্ড ছিল গত ১২ জুলাই ১৩ হাজার ৭৬৮ জন। এই ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে ৬ হাজার ৫৪০, চট্টগ্রামে ২ হাজার ২৮৮ ও খুলনা বিভাগে ১ হাজার ১৬৫ জন। এমনকি গতকাল সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার ১২টি নমুনা পরীক্ষার রেকর্ডও হয়েছে। এর আগে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষা করা হয়েছিল ১২ জুলাই, ৪৪ হাজার ৬৭ জনের।
সংক্রমণের এমন পরিস্থিতিকে খুবই উদ্বেগজনক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ১৪ জুলাই শেষ হওয়া দুই সপ্তাহের ‘লকডাউনের’ তাৎপর্যপূর্ণ কোনো প্রভাব পড়েনি। এখনো সংক্রমণের উচ্চহার রয়েছে। এর সঙ্গে যদি ঈদকেন্দ্রিক সংক্রমণ যুক্ত হয়, তাহলে ঈদের পর সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই অনেকগুণ বেড়ে যেতে পারে।
এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে স্থাপিত কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা সবারই সচেতনতা ও দায়িত্ব বোধের বিষয়টি আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। যে যার জায়গা থেকে প্রত্যেকের ভূমিকাটি যদি আমরা যথাযথভাবে পালন করি, তাহলে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি আরেকটু ভালোভাবে মেনে চলা সম্ভব।’
এ ব্যাপারে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখনো দেশে সংক্রমণের উচ্চহার চলছে। এর সঙ্গে ঈদকেন্দ্রিক সংক্রমণ যুক্ত হবে। সে ক্ষেত্রে ঈদের পর সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বেড়ে যেতে পারে। বাড়ার আশঙ্কাই বেশি।’
সবচেয়ে কম সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী রেকর্ড এ মাসেই : দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়েছে। মোট শনাক্ত রোগী ১০ লাখ থেকে বেড়ে ১১ লাখ ছাড়াতে সময় লেগেছে মাত্র ১০ দিন। দেশে ১৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলা মহামারীতে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুত এক লাখ রোগী শনাক্তের রেকর্ড। এ মাসের গত ১৯ দিনে প্রায় দুই লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশে মোট শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছিল ৯ জুলাই। মোট রোগী ৯ লাখ থেকে ১০ লাখ ছাড়াতে সময় লেগেছিল ১০ দিন। আর এর পরের ১০ দিনে শনাক্ত হয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৭ নতুন রোগী।
১৯ দিন ধরে দৈনিক ১৯১ জন করে মারা যাচ্ছেন : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু ছিল তিন মাস। এর মধ্যে এ বছরের এপ্রিলে মারা যান ২ হাজার ৪০৪ জন, সে মাসে দৈনিক মৃত্যু ছিল ৮০ জন করে। এ বছরের জুনে মারা যান ১ হাজার ৮৮৪ ও সে মাসে দৈনিক মৃত্যু ছিল ৬৩ ও গত বছর জুলাইয়ে মারা যান ১ হাজার ২৬৪, সে মাসে দৈনিক মৃত্যু ছিল ৪১ জন। সেখানে গত ১৯ দিনেই মারা গেছেন ৩ হাজার ৬২২ ও এ সময় দৈনিক মৃত্যু ১৯১ জন।
প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বছর ১০ জুন তা এক হাজার ছাড়ায়। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ আগস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা। এরপর কমে আসে দৈনিক মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়ায়।
সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর ১৫ দিনেই এক হাজার কভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু ঘটে, গত ১৫ এপ্রিল মৃতের মোট সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর পরের এক হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে আরও কম, মাত্র ১০ দিন সময় নেয় করোনাভাইরাস; মোট মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায় ২৫ এপ্রিল। তার ১৬ দিন পর ১১ মে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এক মাসের মাথায় ১১ জুন তা পৌঁছায় ১৩ হাজারে। আরও ১৫ দিন পর ২৬ জন মৃতের মোট সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়ায়। আট দিনে আরও এক হাজার মানুষের মৃত্যুতে ৪ জুলাই সেই সংখ্যা ১৫ হাজারে যায়। এরপর প্রতি পাঁচ দিনে এক হাজার করে মানুষের মৃত্যু ঘটাচ্ছে করোনাভাইরাস। মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ জুলাই তা ১৬ হাজার, ১৪ জুলাই ১৭ হাজারে পৌঁছায়। গতকাল তা পৌঁছাল ১৮ হাজারে। গত ১১ জুলাই এক দিনে রেকর্ড ২৩০ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেল।
বেশি মৃত্যু ও সংক্রমণ ঢাকা, খুলনা ও কুষ্টিয়ায় : গত ২৪ ঘণ্টায় মোট মৃত্যুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন ঢাকা জেলায়, ৪৬ জন। এরপর কুমিল্লা জেলায় ১৯, কুষ্টিয়ায় ১৫ ও যশোরে ৯ জন। এ সময় খুলনা ও বগুড়া জেলায় ৮ জন করে ১৬, রংপুর, চাঁদপুর ও মেহেরপুর জেলায় ৬ জন করে ১৮, ৫ জন করে গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, নোয়াখালী, ঠাকুরগাঁও, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও সিলেটে মারা গেছেন। ৪ জন করে নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী ও বাগেরহাটে, ৩ জন করে নরসিংদী, শেরপুর, পঞ্চগড় ও মাগুরায়, ২ জন করে ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নওগাঁ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালী, ঝালকাটি ও হবিগঞ্জে মারা গেছেন। অন্যান্য জেলায় একজন করে মারা গেছেন।
সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে ঢাকা মহানগরে ৪ হাজার ৮৩৪ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম জেলায় ৭৬৫, বরিশালে ৪০৯, নারায়ণগঞ্জে ২৪৫, যশোরে ২১৪ ও ফরিদপুরে ১৯৬ জন।
হাটে সংক্রমণ ৭ শতাংশ : ব্র্যাকের স্বাস্থ্য পুষ্টি জনসংখ্যা কর্মসূচির পরিচালক ডা. মোর্শেদা চৌধুরী বলেন, ‘রাজধানীর ৯ হাটে গত তিন দিন ধরে অ্যান্টিজেন টেস্ট করছে ব্র্যাক। এ পর্যন্ত ১৯৬ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জনের পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১২ জনই বিক্রেতা। দুজন ক্রেতা। আর বাকি যেগুলো নেগেটিভ সেসব নমুনা পিসিআর টেস্টের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এসব হাটে শনাক্ত হার ৭ শতাংশ।’
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘যারা বিক্রেতা তাদের মোটিভেট করে পরীক্ষা করি। মাইকিং করে বলি ক্রেতাদের মধ্যে যাদের উপসর্গ আছে, তারা যেন স্বেচ্ছায় এসে পরীক্ষা করেন। ইজারাদারদের বলছি শনাক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে নিতে হবে। ক্রেতারা তো পরীক্ষা করতে আগ্রহী নন। কারণ শনাক্ত হলে তিনি তো আর হাটে থাকতে পারবেন না। আমাদের বারবার মোটিভেট করে পরীক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা সিটি করপোরেশনকে বলছি। তারা অনুরোধ করে বাড়ি পাঠাচ্ছে।’
দিন দিন হাটে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথম দিন পরীক্ষা হয়েছে ৫৬ জনের, তার পরদিন ৪৮ ও এর পরদিন ৯২ জনের। তার মানে পরীক্ষা বাড়ছে। হাট যারা ব্যবস্থাপনায় আছে তারা যদি চান, তাহলে পরীক্ষা ও শনাক্তদের ব্যাপারে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘ক্রেতা-বিক্রেতা সবারই পরীক্ষা করছি। তবে বিক্রেতাদের সংখ্যা খুবই কম। বেশি পরীক্ষা করছি বিক্রেতাদের, যেহেতু তারা সবাই বাইরে থেকে আসছেন। তাদের বাধ্যতামূলকভাবেই করার চেষ্টা করছি। আর ক্রেতাদের মাইকিং করে পরীক্ষার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
১৪ দিনের বিধিনিষেধের তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব নেই : ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘হাটসহ ঈদকে কেন্দ্র করে মানুষের মেলামেশার প্রতিক্রিয়া বোঝা যাবে ঈদের পরে। করোনা সংক্রমণ কমানোর জন্য যে ১৪ দিনের বিধিনিষেধ ছিল, মৃত্যুর ওপর সেটার প্রভাব দেখতে হলে তিন সপ্তাহ পর অর্থাৎ ২১ জুলাইয়ের পরে দেখা যাবে। এখন যে মৃত্যু সেটা তিন সপ্তাহ আগে যারা অসুস্থ হয়েছিল, সেটার প্রভাব। কিন্তু যারা শনাক্ত হয়েছে তিন সপ্তাহ আগে, তাদের একটা অবস্থা আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি, তাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করছে। এখন যদি তিন সপ্তাহ পরে পরিস্থিতির উন্নতি না হয় ও এখনকার সংক্রমণ পরিস্থিতির মতো একই অবস্থা থাকে, তাহলে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হওয়ার কোনো আশা নেই। সেটা হওয়ারই আশঙ্কা রয়েছে। সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে মৃত্যু পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কথা নয়। কারণ ১৪ দিনের বিধিনিষেধের তেমন তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব দেখছি না।’
ঈদে মাস্ক পরতে হবে, ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে : ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘মানুষের প্রতি পরামর্শ হলো যারাই সংক্রমিত হচ্ছেন তাড়াতাড়ি টেস্ট করুন। তাদের ঘরে থেকে আইসোলেশনে থাকতে সহযোগিতা করুন। তারা যেন টেস্ট করতে ভয় না পায়। হাট-বাজার, ঈদের দাওয়াত, কোরবানি দেওয়া সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। মাস্ক পরতে হবে অবশ্যই। কোনো কিছু স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ঈদের জামাতে সবাইকে মাস্ক পরে যেতে হবে ও ভিড় কম করতে হবে। কোরবানি দেওয়া ও মাংস বিলি করার সময় সবাই মাস্ক পরবেন।’
এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘সরকারের প্রতি অনুরোধ হলো প্রত্যেক শনাক্ত রোগী যারা হাসপাতালের বাইরে আছেন, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে সেবা দিই বা কমিউনিটিতে আইসোলেশন সেন্টার করে সেখানে রাখি, তাহলে আইসিইউতে যাওয়া লোকের সংখ্যা কমে যাবে।’
ভয়েস/আআ/সূত্র:দেশরূপান্তর।