বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
মোর্শেদুর রহমান খোকন:
প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে কক্সবাজার সমূদ্র পাড়ের ৭”শ একর বনভুমি লীজ নেয়ার পায়তারা করছেন আমলারা। এমন অভিযোগ করেছেন কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দরা।১৮ অক্টোবর দুপুরে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন নেতৃবৃন্দ। বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন অতিলোভে পড়ে কিছু সরকারি আমলা প্রশিক্ষণ একাডেমির নাম দিয়ে সমুদ্র পাড়ের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন শুকনা ছড়িতে ৭০০ একর বনভূমি
খাস জমি দেখিয়ে একাডেমিক ভবন করার পায়তারা করছেন। এই বনভূমি সাবাড় করার লক্ষে ইতিপূর্বে গোপনে লীজও নেওয়া হয়েছে। বক্তারা বলেন বনের জমিতে একাডেমিক ভবন নির্মাণ প্রস্তাবের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানলে তা বাতিল করবেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী কখনো আইন লংঘন করে এমন কাজ করার অনুমতি দেবেন না।
বনের জমিতে একাডেমিক ভবন নির্মাণ প্রস্তাবের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানলে তা বাতিল করবেন।
কক্সবাজারে বনভূমির ৭শ একর জমি লীজের কার্যক্রম মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক স্থগিত হওয়ার পর পরবর্তী করনীয় বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন কক্সবাজার নাগরিক ফোরামের পক্ষে করা রীটে সমুদ্র সৈকতের পাশ্ববর্তী ৭শ একর বনভূমি হাইকোর্টের যুগান্তকারী আদেশে ৩ মাসের জন্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এই আদেশের বিরোদ্ধে রীট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমলারা। আমাদের জীবন থাকতে জীব বৈচিত্র ধংব্স করে একাডেমিক ভবন করতে দেয়া হবে না। তবে তারা অন্য যে কোন জায়গায় নির্মাণ করলে কোন আপত্তি নেই,তবে আমাদের কক্সবাজারের ফুসফুস খ্যাত শুকনা বনের ৭০০ একর বনের জমির লীজের নামে উজাড় করা হলে জীব বৈচিত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম ক্ষতির সম্মুখীন করে তা করতে দেয়া হবে না। অচিরেই লীজ বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে লেখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাগরিক ফোরামের সভাপতি আ ন ম হেলাল উদ্দিন। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, নাগরিক ফোরামের সেক্রেটারি প্রফেসর আনোয়ারুল হক,উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী,সদস্য যথাক্রমে মমতাজ উদ্দিন বাহারি, ইকরাম চৌধুরী টিপু, এম আর খোকন, সফিনা আজিম,আবদুল মতিন আজাদ, কমরেট সমীর পাল,রুহুল আমিন সিকদার, কামরুল হাসান,ইমাম খাইর প্রমুখ।
ভয়েস/আআ