শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ার মগনামায় ওযু করতে গিয়ে মসজিদের ইমামের মৃত্যু তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ফারুকের ডিলার ব্যবসা, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তনু হত্যা: সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ মহেশখালীতে ভাসমান বিকল এলএনজি টার্মিনাল আংশিক চালু ‘বিপুল’ অস্ত্রভান্ডারের দাবি ট্রাম্পের, তথ্য ফাঁসকারীদের হুঁশিয়ারি ‘আমি আমার শারীরিক গঠন পছন্দ করি’ বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল ‘ক্লায়েন্ট রাষ্ট্র’ হিসেবে দেখতে চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নির্যাতনের ঝুঁকি থাকলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া

শিপলুর হত্যাকারী নেতা তাজিম উদ্দিন

লাল গেঞ্জি পরিহিত শিপলু হত্যাকান্ডের প্রধান হোতা তমিজ উদ্দিন। যাকে মহেশখালী থানা পুলিশ গ্রেফাতারের পর সংবাদ সম্মেলন করেন।

জিকির উল্লাহ জিকু:

শিপলু দে হত্যার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার প্রধান আসামী তাজিম উদ্দিন ওরফে নেতা অভ্যন্তরণী দ্বন্দ্বে তাকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে মহেশখালী থানার পুলিশ।

আজ ৬ জুন মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল হাই এক  সংবাদ সম্মেলন করে এবস কথা জানান।

তিনি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানান, শিপলু দে হত্যা কান্ড একটি পরিকল্পিত হত্যা কান্ড। শিপুল দে এর সাথে তাজিম উদ্দিনের সাথে পূর্বে থেকে বিরোধ ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের জানাশুনা আর যাতায়ত ছিল। ২৯ মে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে শিপলু দে তার বোনকে নিয়ে। ওই সময় ৭ টা বারো মিনিটের সময় একটি ফোন পেয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়। পরে  ছাগল দেওয়ার আশ্বাসে টমটম গাড়ি নিয়ে দুইজন সহযোগি নিয়ে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের গহীনপাহাড়ী এলাকা নাকাটা ঝিরির ওখানে নিয়ে যায় খুনি তমিজ ‍উদ্দিন । সেখানে হাত পা বেঁধে প্রথম শ্বাসরোধ করে পরে  গলায় চুরি দিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে।

তিনি মিডিয়া ব্রীফিংয়ে আরো জানান, হত্যার পর শিপলু দে’র ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি প্রথমে তিন হাজার টাকা দিয়ে পরে ওই ব্যক্তি চার হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করে দেয়। সেটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। তাজিম উদ্দিনের স্বীকারোক্তি মতে পাহাড়ের উপর থেকে শিপলু দের ব্যবহৃত সেন্ডেলও উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল হাই আরো জানান, তাজিম উদ্দিন ওরফে নেতাকে গ্রেফাতারের মাধ্যমে মোটামুটি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছে পুলিশ। বাকি আসামীদেরও শীঘ্রই গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোর্পদ করতে পারবে বলে এ সময় তিনি বলেন। তবে প্রথমে দেওয়া এজাহারের আসামীদের সাথে হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া আসামীদের মিল নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাজিম উদ্দিনকে কোর্টে চালান করে দেওয়া হয়েছে।

শিপলূ দে হত্যার প্রধান হোতা একই এলাকা তেলিপাড়া  ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল করিমে পুত্র।

উল্লেখ্য সোমবার (৩০ মে) বিকেল ৪টার দিকে মহেশখালীর গহীন পাহাড় থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিপলু দে’র লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। সে ছোট ইউনিয়নের ঠাকুর তলা হিন্দুপাড়া গ্রামের জীবন হরি পাল প্রকাশ জাপান দে’র পুত্র।

ভয়েস/জেইউ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION