শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ তেহরানকে নতুন করে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কাৎজ জানিয়েছেন, হামলার জন্য ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার অপেক্ষায় আছে সেনাবাহিনী। কাৎজের এ মন্তব্যকে উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার লক্ষ্য হবে ইরানের সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া।
কাৎজের ব্যবহৃত শব্দগুলো থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই অভিযানের সামরিক ফলাফল হবে সুদূরপ্রসারি।
ইসরায়েলের তেল আবিবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-এর প্রধান শ্লোমি বিন্ডারসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা। ৭ মার্চ, ২০২৬। ইসরায়েলের তেল আবিবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-এর প্রধান শ্লোমি বিন্ডারসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা। ৭ মার্চ, ২০২৬ছবি: ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
আঞ্চলিক চরম উত্তেজনার মধ্যে কাৎজ দাবি করেন, ইসরায়েলি বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের রক্ষণাত্মক বা আক্রমণাত্মক পরিস্থিতির জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, প্রধান মিত্র ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয় সাপেক্ষে সব ধরনের সামরিক পথই খোলা রাখা হয়েছে।
বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে জড়িয়ে কাৎজের মন্তব্যগুলোকে বিশ্লেষকেরা তেহরানের ওপর রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বৃদ্ধির কৌশল হিসেবে দেখছেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ও ইসরায়েলের উত্তর ফ্রন্টের মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের কঠোর বার্তার উদ্দেশ্য হলো ইরানকে দমানো।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর