বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও শিশু কন্যা নিহত

ভয়েস প্রতিবেদক, রামু:
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও শিশু কন্যা নিহত হয়েছে। নিহত মা ছেমন আরা বেগম (২৭) ও তার ২ বছর বয়সী শিশু কন্যা আসমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার সৈয়দ কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মা-মেয়ে রোহিঙ্গা নাগরিক।

স্থানীয়রা জানান, ভোরের দিকে বন্য হাতির একটি পাল হঠাৎ লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এ সময় হাতিরা কয়েকটি বসতঘরের সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করে এবং আশপাশের গাছপালা উপড়ে ফেলে, এতে মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মাদ্রাসা শিক্ষক জুবাইরুল ইসলাম বলেন, লোকজনের হৈচৈ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন একরাম মিয়া ও তার স্ত্রী ছেমন আরা। তাদের সঙ্গে ছিল দুই শিশু সন্তান। এ সময় হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে একরাম মিয়া ছয় বছর বয়সী ছেলে রেহান উদ্দিনকে নিয়ে দ্রুত সরে যান। তবে ছেমন আরা ও তার ছোট মেয়ে আসমা হাতির আক্রমণের মুখে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন জানান, ওই হাতির পালে তিনটি হাতি ছিল খুবই আক্রমণাত্মক। সামনে পড়ে যাওয়ায় মা-মেয়ের পালানোর সুযোগ ছিল না। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও গাছের আম-কাঁঠাল খেয়ে পাশের পাহাড়ে চলে যায় হাতিগুলো। তিনি আরও জানান, নিহতরা রোহিঙ্গা নাগরিক হওয়ায় বনবিভাগের জমিতে ঘর তুলে কয়েক বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তোসাদ্দেক হোসেন জানান, ঘটনার পর হাতির পালটিকে তাড়িয়ে গভীর বনে প্রবেশ করানো হয়েছে। পাশাপাশি বন্য হাতির চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION