বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ভাঙচুর: ড. ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন আগে ঝাঁপ দাও, তারপর যত খুশি ভেবো : স্পর্শিয়া বিজিবির চেকপোস্টে এসে আত্মনমর্পন: মিয়ানমারের বাহিনীর ১৪ জন আটক মাতারবাড়িতে কোল পাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র সাড়ে ৮ ঘন্টা পর সচল মহেশখালীতে দুই টার্মিনে ফুরিয়ে আসছে গ্যাসের মজুত, কার্গোর অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন দীপু মনি প্রিন্সেস ডায়ানার অজানা কথা জানাতে নতুন বই লিখলেন ভাই অস্ট্রেলিয়া-বধের পুরস্কার, টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ শান্ত-মিরাজ-হাসানের ইসলাম মানব কল্যাণের ধর্ম রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিয়ানমারের দাবির প্রতিবাদ জানালো ঢাকা

১ দিনেই ৩টি দুর্ঘটনা মহেশখালী-কক্সবাজার নৌপথে, প্রশ্ন উঠেছে অব্যবস্থপনার

নিখোঁজ আশরাফুল মুহাম্মদ তোফাইল।

এস. এম. রুবেল, মহেশখালীঃ

একদিনেই তিনটি দুর্ঘটনা ঘটেছে মহেশখালী -কক্সবাজার নৌপথে। এতে ১ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। তার নাম আশরাফুল মুহাম্মদ তোফাইল। বাড়ি উপজেলার সিপাহীর পাড়া বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। এনিয়ে যাত্রীপারাপারে নিরাপত্তা এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবাচ্ছে মহেশখালীবাসীকে। সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা এবং অবহেলার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এনিয়ে তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায়।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সদস্য, এডভোকেট ফারুক ইকবাল প্রশ্ন রেখে লিখেন, বিগত ১০০ বছর ধরে জোতদারদের কবল থেকে মহেশখালী ফেরিঘাটকে উদ্ধার করা যায়নি! খাস-কালেকশনের নামে সরকারি অত্যচার আর কতদিন বিস্তৃত থাকবে? দুইটি ওয়াটার বাস সরকারি ভাবে বিনিয়োগ করলে দুর্ঘটনা থেকে, হয়রানি থেকে ৪ লক্ষ জনগনকে নিষ্কৃতি দেয়া যেত না?

জানা যায়, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে মহেশখালী- কক্সবাজারে যাতায়াতের সময় ঢেউয়ের ধাক্কায় যাত্রীবাহী স্পীডবোটের তলা ফেঁটে যায়। এতে বোটে পানি ডুকে যায়। কাছাকাছি একটি মাছ ধরার ট্রলার ও অপর একটি স্পীডবোট থাকায় দুর্ঘটনায় কবলিত বোট থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ফলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পান।

অপরদিকে একই দিন সন্ধ্যে ৭টায় একটি যাত্রীবাহী গামবোটের সাথে খুটাজালের বোটের ধাক্কা লাগে। এতে গামবোটের তিন যাত্রী নদীতে পড়ে যায়। দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা গেলেও তোফাইল নামের এক যাত্রী রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত নিখোঁজ আছে। প্রাথমিক ভাবে উভয় বোটে সিগনেল লাইট না থাকায় দুর্ঘটনাটি সংগঠিত হয় বলে জানা যায়। এদিকে দুপুর নাগাদ আরো একটি স্পীডবোট দুর্ঘটনায় পতিত হয় বলে ঘাট সূত্র জানায়।

এই দুর্ঘটনায় ঘাট কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন যাত্রীরা। রফিক, করিম, আজিজুল হক, মমতাজ সহ একাধিক যাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে দুর্ঘটনাটি সংগঠিত হয়। এই দুর্ঘটনার জন্য ঘাট সংশ্লিষ্ট সকলেই দায়ী। এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রতিবারের মত এবারো তারা এটিকে দুর্ঘটনার রূপ দিয়ে পার পেয়ে যাবে। মনগড়া নিয়ম, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, লাইফজ্যাকেট ও বোটে সিগন্যাল লাইট না থাকা, অনভিজ্ঞ চালক দ্বারা বোট চালানো সহ নানান অনিয়মের ফসলই আজকের এই দুর্ঘটনা। তারপরেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়বেনা। সকাল শুরু হবে অনিয়ম দিয়ে আরেকটি দুর্ঘটনার অপেক্ষায়।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION