মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
আবুল বশর পাভেজ, মহেশখালী:
মহেশখালীর শাপলাপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে স্বামীর নামে ক্রয়কৃত জমি দাবী করায় একটি কক্ষে তালাবব্ধ করে জিম্মি রাখা ও মারধর ও স্বর্নালংকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় পুলিশ সংবাদ পেয় তালাবব্ধ রাকা কক্ষ থেকে অাহত অবস্থায় উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাসুত্রে ও পুলিশের ভাষ্যমতে, শাপলাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত সুলতান আহাম্মদের ৩ পুত্র কাতার প্রবাসী কালামা, আবু তালেব, জাফর আলম। আবুল কালামা বিয়ে করে হোয়ানক কালাগাজীর পাড়া গ্রামের শাকের উল্লাহর মেয়ে দিলদার বেগমকে।
গত ২বছর পূর্বে দিলদার বেগমের আরেক ছোট বোন তাজনিম আকতার মিম (তালত বোনকে সম্পর্ক করে বিয়ে করে আবুল কালামের ছোট ভাই জাফর আলম সেও কাতার প্রবাসী। প্রবাসী পরিবার হিসাবে স্থানীয় কিছু অর্থলোভী নেতাদের কু নজর পড়ে ৩ প্রবাসী ভাইদের প্রতি।
অর্থলোভীদের আশা পূরনে ঘটে তালত বোনকে বিয়ে করার সুবাদে ভাইদের মধ্যে কলহ।
আবু তালেব ও জাফর অালম প্রবাস থাকাকালিন যৌথভাবে গ্রামে ২০শতক এক দলিলে সমান সমান জমি ক্রয় করে। উক্ত জমিতে জাফর ও আবু তালেব একটি সেমিপাকাঁ বাড়ী তৈরী করে। বিয়ের ২বছর পর্যন্ত তাজনিম আকতার মিম কে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের প্রত্যক্ষ মদদে আবু তালেব ও তার স্ত্রী নাছিমা মিমকে স্বামীর অর্থে ক্রয়করা বাড়ীতে ডুকতে দেয়নি।
১৩নভেম্বর জাফর আলম দেশে ফিরে অাসলে তার স্ত্রী মিম জানায়, অন্যরবাড়ী আর থাকবে না। নিজ ঘরে সংসার করার জন্য স্বামী জাফর আলম চাপ সৃষ্টি করে। অবশেষে ১২ ই নভেম্বর স্ত্রী মিমকে নিয়ে জাফর আলম তার নামের জমিও বাড়ীতে প্রবেশ করতে চাইলে হঠাৎ আলী আহমদ মাষ্টারের পুত্র শওকত এর নেতৃত্বে নাছিমা আক্তার, বকেয়া ও তিসা মিমকে মারধর করে বাড়ীর একটি কক্ষে আটকিয়ে তালাবব্ধ করে রাখে। এসময় মিমের হাতে গলায় ও কানে থাকা আংটি, চেইন ও কানের দুল চিনিয়ে নেয় জিম্মিকারীরা।
এসময় স্বামী জাফর অালমকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডাকছে এরকম মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। মিমকে আটকিয়ে রাখার খবর পেয়ে স্থানীয় মেম্বার শফিউল আলম উদ্ধারে বার বার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। পরে নিরুপায় হয়ে মহেশখালী থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাড়ীর একটি কক্ষ থেকে অবরুব্ধ অবস্থা হতে উদ্ধার করে মহেশখালী মহেশখালী থানা পুলিশ।
এঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত জানান, একটি ঘটনার সংবাদ পেয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভয়েস/আআ