শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
আব্দুস সালাম, টেকনাফ:
টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ইয়াবাসহ হেলাল উদ্দিন নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এসময় সহোদর মাদক কারবারী সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার জহির আহমদের ছেলে ইসান হোসেন পালিয়ে যায়।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফা মুকুল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২০ মে) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর থেকে মাদকের একটি বড় চালানের জন্য টেকনাফ থানাধীন শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় অবস্থান গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে চালানের একাংশের মালিক শাহপরীর দ্বীপ এলাকায়র দুটি ফিশিং ট্রলারের মালিক শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়া এলাকার জহির আহমদের ইমান হোসেনের বসত-বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তার সহোদর ভাই হেলাল উদ্দিন (২১) কে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঔই বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞেসাবাদে তারা দীর্ঘ দিন ধরে পরস্পরের সহযোগিতায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে। এছাড়া এলাকাবাসীও তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ জানিয়ে আসছিলো।
তিনি আরও জানান,উক্ত ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা বাদী হয়ে উভয়কে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১০(গ) ও ৪১ ধারায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। মাদক বিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়,টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ মৎস্যঘাট এলাকায় বেশকয়েকটি ইয়াবা কারবারের সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এ মাদক কারবারী সিন্ডিকেট ইমান হোসেনের সাথে আরো যারা জড়িত রয়েছে, শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে কবির আহমদ প্রকাশ কবিরা (৬০),মাঝের পাড়ার রশিদ আহমদ প্রকাশ বাইলার ছেলে নুরুল আক্তার প্রকাশ ডিবি আক্তার (৩২),একই এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে সাহাব মিয়া (৪৭)। বৈধ মাছ শিকারের আড়ালে অবৈধ ইয়াবা কারবার করে আসছিল এরা। গুটিকয়েক মাদক কারবারে জড়িতদের কারনে প্রকৃত মৎস্য ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় দাবী সচেতনমহলের। আটক ইয়াবার চালানটি ইমান হোসেনের নৌকা থেকে খালাস করে বাড়িতে মজুদ করে রেখেছিল। এই সিন্ডিকেটের মালিকাধীন বেশকয়েকটি মাছধরার নৌকা রয়েছে।
ভয়েস/আআ