শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
অভিযোগ,ফাইল ছবি বার্তা পরিবেশক:
মহেশখালী উপজেলার প্রাচীনতম বড়মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নামে কবলাকৃত জমিতে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একটি পুশের ঘর তৈরি করলে প্রশাসন এসে তা ভেঙ্গে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সিরাজ মিয়া বাঁশি।
তিনি জানান, মহেশখালী উপজেলার বড়মহেশখালী ইউনিয়নের সাতঘরিয়া পাড়ার হাজ্বী আবুল ছৈয়দ পিতা -মৃত রোশন আলী, আবুল ছৈয়দ পিতা-মৃত বদু উদ্দিন, আলী রেজা পিতা -মৃত মোশরফ আলী এই তিন ব্যাক্তির নামে ফকিরাঘোনা মৌজার বন্দোবস্তি প্রস্তাব নং ৩৪৬/৮১-৮২ সনে উক্ত জমি আদালত কর্তৃক ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়। উক্ত তিন জনের নামে M.R.R -২৭৩ এবং নাম জারি B.S -৪৮৯ নং চূড়ান্ত লিপি আছে। আরো উল্লেখ্য যে, উক্ত তিন জন যৌথভাবে গত ১/৪/৮৬ ইঃ তারিখে ৩৯৩ নং কবলায় আনোয়ার পাশা চৌধুরী পিতা-মৃত শফর আলীকে কবলা দেন। পরে আনোয়ার পাশা চৌধুরী পিতা-মৃত শফর আলী গত ১৪/২/৯১ ইং তারিখে ১৭৯ নং কবলায় উক্ত জমি বড়মহেশখালী নতুন বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে কবলা দেন। সেই ১৯৯১ সাল থেকে উক্ত জমি মসজিদের দখলে আছে।
এরই মধ্যে গত ২৭ /৬/২০২১ ইং তারিখে বড়মহেশখালী নতুন বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটি উক্ত জায়গার একটি পুশের ঘর তৈরি করেন। মসজিদ কমিটির সভাপতি সিরাজ মিয়া বাঁশি আরো বলেন, পুশের ঘরটি তৈরি করার পর বড়মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত উল্লাহ বাবুল মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে মসজিদের জায়গার উপর নির্মিত উক্ত পুশের ঘরটি ভেঙ্গে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তারই আলোকে গত ২৮/৬/২০২১ ইং তারিখে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান এসে মসজিদের জায়গার উপর নির্মিত পুশের ঘরটি ভেঙ্গে দেন।
এসময় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে উক্ত জমির দলিল ও খতিয়ান দেখার অনুরোধ করা হলে তিনি তৎক্ষনাৎ উক্ত কাগজপত্র না দেখে পরে দেখবেন বলে ঐখান থেকে চলে যান। এব্যাপারে বড়মহেশখালী নতুন বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে বিষয়টি আমলে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, মহেশখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শরীফ বাদশা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ।
ভয়েস/জেইউ।