শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
আমিনুল হক, মহেশখালী:
মহেশখালীতে বিনোদনের দ্বার খুলে দিল শেখ রাসেল শিশু পার্ক।
মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এর আন্তরিকতায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর পরিকল্পনায় মহেশখালীর ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের লম্বাঘোনা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ২ একর জমি নিয়ে এই শিশু পার্কটি গড়ে তোলা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর নামে।
গত ২২ জুলাই এই শেখ রাসেল শিশু পার্কটি উদ্বোধন করেন মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান ও পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া। এছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজার জেলার মধ্যে এই প্রথম কোন শিশু পার্ক উদ্বোধন হলো। শিশু কিশোরদের বিনোদনের জায়গা তৈরি করে দেওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাবাসি। শেখ রাসেল শিশু পার্কটি উদ্বোধনের পর দিন হতে সরকারি ভাবে শুরু হয়েছে ১৪ দিনের লকডাউন। এই লকডাউনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শেখ রাসেল শিশু পার্কটি।
লকডাউনে বন্ধ থাকা এই শেখ রাসেল শিশু পার্কটি নিয়ে নিউজ করতে গেলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী এ প্রতিবেদকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর নামে কক্সবাজার জেলায় প্রথম বারের মতো একটি শিশু পার্ক স্থাপন করা হয়েছে তাও মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নে।
সংগত কারণে এই শিশু পার্কটি নিয়ে একটা নিউজ করতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি সরকারি দায়িত্বে লকডাউনের অভিযানে মহেশখালীর উত্তর প্রান্তে ছিলেন। তিনি বলেন যে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলীর বক্তব্য নেওয়ার জন্য।
উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলীর বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তার কাছে বলা হয় যে, ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের মানুষ সরকারি আইন এবং লকডাউন মেনে চলেছেন। এটা একটা পজেটিভ নিউজ হবে। তখন চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী বলেন, আমি আগেও পজেটিভ ছিলাম না, এখনও পজেটিভ না, ভবিষ্যতেও পজেটিভ থাকবো না। একজন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের একেমন আচরণ? সাংবাদিকের সাথে তার এই আচরণ কোন মতে শোভনীয় নয়। মহেশখালীতে কর্মরত সাংবাদিক সমাজ এমন আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন।
বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর প্রতি অনুরোধ জানানো হলে তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।
ভয়েস/ জেইউ।