আসন্ন পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে শাসক নয়, ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চাই। দৃষ্টিনন্দন, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ইউনিয়ন রুপান্তরিত করবো। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ কেফায়েত উল্লাহ বলেন, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট,পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সেনিটেশন, কবরস্থান, জরুরি এ্যাম্বুলেন্স সেবা, রোড লাইটসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতামূলক কার্যক্রম চালু করবো।
একান্ত আলাপকালে তিনি প্রতিবেদককে তার বিভিন্ন পরিকল্পনা ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, পুরাতন রাস্তা মেরামত, নতুন রাস্তা তৈরি ও রাস্তা প্রশস্ত করে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নাগরিকদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করবো। পরিকল্পিতভাবে রাস্তার সঙ্গে ড্রেন তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। ইউনিয়নের ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কারের মাধ্যমে পানি চলাচল নিয়মিত রাখা, ইউনিয়নবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ড্রেনের সঙ্গে যারা টয়লেটের পাইপ সংযুক্ত করেছে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশান ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষার অধিকার যাতে পৌরবাসীর দোরগোড়ায় পৌঁছে তা নিশ্চিত করা। তাছাড়া অনেক সড়কে এখনো নেই পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, ইউনিয়নের প্রত্যেকটি সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করে দিব। যাতে এসব স্থানে মাদকসেবীদের আড্ডা থেকে মুক্ত থাকে।
তিনি আরো বলেন, অতীতে সবসময় মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক কাজ করেছি। করোনাভাইরাস সঙ্কটে দিন-রাত কর্মহীন, অসহায় শ্রমজীবী ও ভাসমান মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। বর্তমান চেয়ারম্যান আমার শ্রদ্ধেয় মামা মাষ্টার আব্দুর রহিমের দেখানো পথে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা পৌঁছে দিচ্ছি। অসহায় মানুষের আর্তনাদ সব সময় আমার কানে বাজে, তাই দুঃস্থ অসহায়, বিধবা ভাতা ও বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াব। সকল দল ও মতের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবো। আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে ইউনিয়নবাসীর জন্য কাজ করতে চাই। প্রতি বারের ন্যায় এবারেরও নির্বাচন ইউনিয়নবাসী যাতে শান্তিশৃঙ্খলার সাথে তাদের ভোটাধিকার যোগ্য প্রার্থীকে দিতে সেটা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চান।