বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩ টা থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আসতে থাকে মা দুর্গা। এ সময় হাজার হাজার ভক্ত, পুন্যার্থী ও দর্শনার্থীরা ভিড় জমায়। একেএকে সমুদ্র সৈকত লোকে লোকারন্য হয়ে পড়ে। দিনের শেষে দেয়া হয় বিসর্জন।
সনাতন বিশ্বাসে, বোধনে অরুণ আলোর অঞ্জলি নিয়ে আনন্দময়ী মা দুর্গার আগমন ঘটে। টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মন্ডপে মন্ডপে থেকে ফিরে যান কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। দূর কৈলাশ ছেড়ে মা পিতৃগৃহে আসেন এবং বিজয়া দশমীতে বিদায় নেন।
মানব হৃদয়ে পূণ্যের পুষ্পরাশি প্রস্ফুটিত এবং অশুভকে বিনাশ করে আগামী বছর দেবী দুর্গা আবারও আসবেন ধরাধামে, এমন প্রত্যাশা ভক্তদের।
বিকালে বিজয়ার মঞ্চে দাঁড়িয়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে জাতি-ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান জনপ্রতিনিধি, রাজতৈনিক নেতা, প্রশাসনেরর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ। যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হেলালুদ্দিন আহমেদ, বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, ট্যুারিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমদ, কেন্দ্রিয় আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, জেলা জাসদের সভাপতি নাঈমুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
পেকুয়ায় সংঘটিত বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া জেলায় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশে এবারে দূর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ।
তিনি জানান, কক্সবাজার সৈকতের বিজয়া অনুষ্ঠানে ৪ শতাধিক প্রতিমা সাগরে বিসর্জিত হয়েছে। যা দেশের সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন উৎসব।