বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

মহেশখালীতে ভাঙারির দোকান থেকে দুই হাজার নতুন পাঠ্যবই জব্দ

ভয়েস প্রতিবেদক:

মহেশখালীতে একটি ভাঙারির দোকান থেকে ২০২২ সালের দুই হাজার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান এ বইগুলো জব্দ করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনা গ্রামে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি আবদুল হাই জানান, বড় মহেশখালী ফকিরাঘোনার মোহাম্মদ ছিদ্দিকের মালিকানাধীন একটি ভাঙারির দোকানে রুবেল নামের এক ব্যক্তি চলতি ২০২২ সালের প্রায় ২ হাজার পাঠ্যবই বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। নতুন বই দেখে দোকান মালিকের ওই বিক্রেতার প্রতি সন্দেহ হয়। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর জানায়। পরে কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্য ওই দোকানে গিয়ে বইগুলো তাদের জিম্মায় নেন।

“গ্রাম পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ সোলাইমানসহ অন্যরা দুই হাজার কপির মতো নতুন বই তাদের হেফাজতে রাখেন।এরপর পুলিশকে খবর দেন। পরে সকালে অভিযান চালিয়ে বইগুলো উদ্ধার করে পুলিশ ।”

দোকান মালিক মোহাম্মদ ছিদ্দিক জানান, কুলালপাড়ার মো. মনজুরের পুত্র মোহাম্মদ রুবেল রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিক্রির জন্য বইগুলো নিয়ে আসেন।বইগুলো দোকানে রেখে একপর্যায়ে সে সরে যায়। সন্দেহ হলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি অবগত করেন তিনি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাই জানান, সরকারি বই বিক্রি করে দেয়া খুবই দুঃখজনক কাজ। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মহেশখালী উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. ফজলুল করিম জানান, ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে বইয়ের গুদামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিই। কোথাও থেকে বই চুরি হয়নি। তবে যে ব্যক্তি বিক্রির জন্য নিয়ে গেছে তাকে বের করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION