বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাফ নদীর জালিয়ারদ্বীপ সংলগ্ন জলসীমার শূণ্যরেখায় এ অভিযান চালানো হয়।
তবে পাচারকারিরা জলসীমার শূণ্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার দিকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
লে. কর্নেল খালিদ বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতে টেকনাফের নাফ নদীর জালিয়ারদ্বীপ সংলগ্ন সীমান্তের শূণ্যরেখা অতিক্রম করে জলযান যোগে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় চালান পাচার হয়ে আসার খবরে বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে নাফ নদীর শোয়ারদ্বীপ অতিক্রম করে হস্ত-চালিত একটি নৌকা বাংলাদেশের জালিয়ারদ্বীপের দিকে আসতে দেখে বিজিবির সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন। এতে নৌকাটি থামিয়ে দ্রুত চালিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালানোর চেষ্টা করে।
” এসময় বিজিবির সদস্যরা নৌকাটি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এতে নৌকাটিতে থাকা লোকজন লাফ দিয়ে নাফ নদীর জলসীমার শূণরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার দিকে পালিয়ে যায়। পরে স্প্রীড বোট যোগে পাচারকারিদের ফেলে যাওয়া নৌকাটি জব্দ করা হয়। নৌকাটি তল্লাশী করে পাটাতনের ভিতরে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় ৪ কেজি ১৭৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস এবং ৫০ হাজার ইয়াবা। “
বিজিবির এ কর্মকর্তা বলেন, ” পরে নাফ নদীর জলসীমার সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও পাচার কাজে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া মাদকগুলোর আনুমানিক মূল্য ২২ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। “
উদ্ধার করা মাদকগুলো বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন দপ্তরে রাখা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে টেকনাফ থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান লে. কর্নেল খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার।