রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে’ রেজুখালে গোসলে নেমে কিশোরের মৃত্যু সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান

শহরের লক্করঝক্কর সড়ক দিয়ে যেতে চায় না গাড়িও

বলরাম দাশ অনুপম:
পায়ে হেঁটে চলাচলও সম্ভব নয়। যানবাহনও যেতে চায় না লক্কর-ঝক্কর সড়ক দিয়ে। আর একটু বৃষ্টি হলেই কক্সবাজার শহরের সড়ক ও উপসড়কে সৃষ্ট গর্তে পানি জমে পরিণত হয় ডোবায়। সড়কগুলোর এই দূরবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করছেন পৌরবাসী। বর্ষা মৌসুমে নালা নর্দমা ঠিকমত পরিস্কার হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তবে করোনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সড়ক সংস্কার করতে না পারার জন্য এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

শহরের পূর্ব টেকপাড়ার বাসিন্দা আনোয়ারুল আরিফ জানান, ‘পৌরসভা এলাকার টেকপাড়া ও হাঙ্গরপাড়ার রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে রিকশা কিংবা অন্যকোন গাড়ি তো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। আমার জানা মতে গত কয়েক বছরে আমাদের রাস্তার কোন সংস্কার বা উন্নয়ন কাজ হয়নি।’

স্থানীয় আবুচিং রাখাইন বলেন, ‘আমার বাড়ির সামনের রাস্তা সব সময় হাঁটু পানিতে ডুবে থাকে, বৃষ্টি থাকলেও না থাকলেও। কারণ রাস্তায় যে বড় বড় গর্ত আছে তাতে সব সময় পানি জমে থাকে। চলাচলে অসুবিধার কারণে আমরা কয়েকজন মিলে বালির বস্তা দিয়েছি রাস্তার পাশে। এখন কোন রকমে এলাকাবাসী হাঁটাচলা করছে।’

শহরের চাউল বাজার সড়কের মাসুদ করিম জানান, ‘মূলত আমাদের যাতায়াত বড় বাজার হয়ে অথবা বার্মিজ স্কুলের রোড হয়ে। কিন্তু বর্তমানে রাস্তার যা অবস্থা, কাদাপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। রাস্তার এই দূরবস্থার কারণে বার্মিজ স্কুল হয়ে চাউল বাজার পর্যন্ত সামান্য দূরত্বের রাস্তায় রিকশা ভাড়া চায় ৫০ টাকা।’

এদিকে পেশকারপাড়া, পাহাড়তলী, আচিমং পেশকার পাড়া, গুদার পাড়া এলাকা, বিজিবি ক্যাম্প, চৌধুরীপাড়া এলাকার বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাগরিক দুর্ভোগের কথা। তাদের অভিযোগ গত পৌর নির্বাচনের পর থেকে এলাকার তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে বর্তমানে ভাঙা রাস্তার কারণে নাগরিক জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।

শহরের ঘোনারপাড়ার আবুল কাশেম, নয়ন, কালুসহ একাধিক বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকায় নালা করার জন্য কয়েক মাস আগে মাটি কেটে রাস্তার ওপর রাখার কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই নালা সংস্কারের কোন নামগন্ধও নেই।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই পৌর কাউন্সিলর বলেন, ‘আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ। না পারছি সইতে, না পারছি পদত্যাগ করতে। সব কথা আপনাদের বলা যাবে না। তবে এবার নির্বাচন করে বড় ভুল করেছি বলে মনে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দেশে করোনা সংকটের কারণে সব কিছুতে স্থবিরতা চলছে। আর বর্ষা মৌসুমে রাস্তার কিছুটা সমস্যা হয়। তবে খুব দ্রুত দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে সব রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করবো।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION