বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
ভয়েস ডেস্ক:
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহের স্মারক নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামেরও একটি নির্ভরযোগ্য দলিল হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে তিনি ইতিহাস সংরক্ষণে সত্যনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ উপস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বুধবার জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “ইতিহাস সাক্ষী- বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে মেনে নিতে পারে নাই।”
তার ভাষ্য, “এদেরই পূর্বসূরিগণ ১৯৭৫ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল।”
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, তিনি আশা করেন, এই জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহের স্মারক হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্পর্কও তুলে ধরবে।
তার মতে, “শুধুমাত্র জুলাই গণঅভ্যূত্থানই নয়, এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসও সংরক্ষিত থাকা জরুরি।”
জাদুঘরের সংগ্রহ সমৃদ্ধ করতে যারা ব্যক্তিগত স্মারক, দলিল, আলোকচিত্র ও শিল্পকর্ম দিয়েছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
ইতিহাস সংরক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অসম্পূর্ণ, অতিরঞ্জিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বয়ান ইতিহাসকে শক্তিশালী করে না; বরং ইতিহাসের বিশ্বাসযোগ্যতা দুর্বল করে এবং ভবিষ্যতে বিভেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রতিটি তথ্য যথাসম্ভব সত্যতা নিশ্চিত করে উপস্থাপন করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাদুঘরে সংরক্ষিত বিষয়বস্তু বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায় উপস্থাপন করা হলে বিদেশি ও ভিন্নভাষী দর্শনার্থীরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কে আরও সহজে জানতে পারবেন।
ভয়েস/জেইউ।