শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
দরিয়ানগরে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে পড়ে পর্যটকের মৃত্যূ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে কক্সবাজার রেল স্টেশন-রেলপথ প্রতিমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না দুই বছর পার হলো জুলাই আন্দোলন : সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণ কতদূর? শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, আইনের বাইরে সরকার কিছু করবে না: আইনমন্ত্রী হত্যার ছয় বছর পর রায়: জমির সীমানা বিরোধে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড পালিয়ে আসার সময় রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, উদ্ধার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর  মির্জা ফখরুলের আক্ষেপ “কিছুই বদলায়নি” মালয়েশিয়া শ্রমবাজার খুলেছে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে : মাহদী আমিন

চীনা ভ্যাকসিনের জরুরী ব্যবহারের অনুমতি

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাকের তৈরি করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। রবিবার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান অনুমোদনে স্বাক্ষর করেছেন।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সরবরাহ সংকটে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে জটিলতার মধ্যে আরেকটি টিকার অনুমোদন দেওয়া হলো।

এ নিয়ে দেশে মোট পাঁচটি টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল। এর আগে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, স্পুৎনিক-৫, সিনোফার্ম ও ফাইজারের টিকা অনুমোদন পেয়েছে।

কেবল আমদানি নয়, স্পুৎনিক-ভি ও সিনোফার্মের টিকা দেশেই উৎপাদনের জন্য ইতিমধ্যে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে অথবা কাঁচামাল নিয়ে এসে বাংলাদেশের ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিতে টিকা উৎপাদন করা যাবে।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত এ টিকা দেশে আনার বিষয়ে গত নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করে বাংলাদেশ।

চুক্তি অনুসারে ৩ কোটি ডোজের প্রতিমাসে ৫০ লাখ ডোজ করে বাংলাদেশের পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ টিকা এসেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সেরাম।

অগ্রিম টাকা নিয়েও সেরাম চুক্তি অনুযায়ী প্রতিশ্রুত টিকা সরবরাহ না করায় শেষ পর্যন্ত টিকা সংকটে বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি।

কেনা টিকার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ বাংলাদেশ। চুক্তিতে দায়মুক্তি দিয়ে রাখায় সেরাম ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে মামলা করারও সুযোগ নেই।

বিকল্প উৎস না রাখায় সমালোচনার মুখে সরকার টিকার জন্য দ্বারস্থ হয় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার প্রতি। তড়িঘড়ি করে চীনের সিনোফার্ম আর রাশিয়ার স্পুৎনিক-ভি টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION