বৃহস্পতিবার, ৩০ Jul ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
 মির্জা ফখরুলের আক্ষেপ “কিছুই বদলায়নি” মালয়েশিয়া শ্রমবাজার খুলেছে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে : মাহদী আমিন উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা সদস্য জুবায়ের নিহত ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলা কখনো কেউকে ব্ল্যাকমেইল করিনি, আর বিয়ে নয় একাই ভালো আছি: পরীমণি পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি পরিবর্তনের আদেশে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ, বহাল আগের সভাপতি মহেশখালীতে বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট গ্রেফতার নেপাল ৪০ দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলেন ইরফান উদ্দিন ইরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের আধিপাত্য ধরে রেখেছে দোসর ফারুক! জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান

দেশে অবৈধ নদী দখলদার ৪৩ হাজার ৬৪২ জন

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

উচ্ছেদের পরও দেশে এখন ৪৩ হাজার ৬৪২ নদীর অবৈধ দখলদার রয়ে গেছে। এদের কবে নাগাদ উচ্ছেদ করা হবে, তা বলতে পারছে না জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। কমিশন বলছে, আমরা অনেক চেষ্টা করে জেলা পর্যায় থেকে তালিকাটাই আনাতে পারছি না। একবার এক তালিকা আসে। ফলে তালিকা চূড়ান্ত করতে গিয়েও বিপাকে পড়ছে কমিশন।

দখলদারদের তালিকায় দেখা যায় যেসব বিভাগে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি সেখানেই বেশি দখল। বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে দখলদার বেশি। আবার এই বিভাগে উচ্ছেদের সংখ্যাও কম। ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি উচ্ছেদ করা হয়েছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের এক কর্মকর্তা নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আমারা চাইলেই দখলদারদের প্রকৃত চিত্র পাই না। আমাদের নিজস্ব জনবল নেই। জেলা প্রশাসকদের তথ্যের ওপর নির্ভর করি। কিন্তু তাদের তথ্যে অনেক সময় দেখা যায় দখলের চেয়ে উচ্ছেদ বেশি।

কেন এমন হয় জানতে চাইলে বলেন, অনেক সময় দেখা যায় পানি উন্নয়ন বাঁধের ভেতর যারা থাকেন তাদের উচ্ছেদ করেও তালিকায় নাম তুলে দেওয়া হয়। এখন খসড়া তালিকায় সাড়ে ৪৩ হাজারেরও বেশি দখলদার রয়েছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন সূত্র বলছে, কমিশন আইনে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান নেই। কমিশন শুধু সুপারিশ করতে পারে। সুপারিশ বাস্তবায়ন না করলেও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করার বিধান নেই। নদী রক্ষায় কার্যত কোনও ভূমিকা রাখতে পারছে না কমিশন।

কমিশনের সচিব আমিনুর রহমান বলেন, নদী উচ্ছেদ নিয়ে তালিকা বারবার আপডেট করতে হয়। তবে চেষ্টা করছি জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে তালিকা আনাতে। তারা নানা কাজে ব্যস্ত থাকে। এরমধ্যে এটি তাদের বাড়তি কাজ। এরপরও আমরা বার বার ফোন করাচ্ছি যাতে করে পূর্ণাঙ্গ তালিকাটি পাওয়া যায়। তিনি বলেন, দখলদারদের তালিকা করা এবং তাদের উচ্ছেদ কোনোটিই আমরা করতে পারি না। আইন নেই, জনবল নেই, লজিস্টিক সাপোর্টও কম। তবে আমাদের দিক থেকে যা যা করার আছে সব করছি। যোগাযোগ, সমন্বয় এবং বার বার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION