শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হিমছড়ি সমুদ্রে গোসলে নেমে তিন পর্যটক নিহতের ঘটনায় নিখোঁজ আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ

থানচিতে ডায়রিয়ায় ২ জনের মৃত্যু

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

বান্দরবানে থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ইউনিয়নের মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের পাহাড়ি গ্রামে গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ৭ জুন থেকে ১১ জুনের মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২ জন মারা গেছেন। তবে ওই এলাকা দুর্গম ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে কতজন আক্রান্ত সেই বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, থানচি উপজেলার রেমাক্রী ইউপি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেনতাং পাড়ার মেনতাং ম্রো (৪৮) এবং রেংহিং পাড়ার বাসিন্দা লংঙিং ম্রো (৫০)।

১ নম্বর রেমাক্রী ইউপি চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা রনি জানান, রেমাক্রী ইউনিয়নের ৬-৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঙাঁরেসা পাড়া, ইয়াংরে পাড়া, ইয়াংব পাড়াসহ ৪-৫টা পাহাড়ি গ্রামে গত এক সপ্তাহ ধরে ডায়রিয়া প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে পাহাড়ি ঝিরি-ঝর্ণার পানি পান করা ও পারিবারিক কাজে দুষিত পানি ব্যবহার করার কারণে উপজেলার ৪-৫ পাড়ার অর্ধশতাধিক মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ গত শুক্রবার একটি চিকিৎসক টিম পাঠালেও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে। তাছাড়া প্রয়োজনীয় ঔষধ, স্যালাইন অপ্রতুল বলে জানান স্থানীয়রা।

থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, গত কয়েকদিনে ডায়রিয়ায় দুই জন মারা গেছেন, তবে আক্রান্তের সংখ্যা জানা যায়নি, তবুও পর্যাপ্ত ঔষধ, স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধ করার ট্যাবলেট, মশারি, ম্যালেরিয়া পরীক্ষা জন্য ডিভাইজ কীট, ম্যালেরিয়া সংক্রান্ত ঔষধ পাঠানো হচ্ছে দুর্গম গ্রামগুলোতে।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা ডায়রিয়া মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছি, তবে দুর্গম এলাকা বা সীমান্ত অঞ্চল হওয়ায় আমাদের কর্মীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. নিহার রঞ্জন নন্দী জানান, দুর্গম এলাকা হওয়ায় অনেক সংবাদ দেরীতে পাই, তবে সংবাদ আসা মাত্রই মেডিক্যাল টিম ওই এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION