বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ৪-১৭ অক্টোবর

জেলা ইপিআই স্টোর সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা

ভয়েস প্রতিবেদক:

শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ৪-১৭ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার জেলায় শুরু হবে। জেলার ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সেখানে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু ৬২ হাজার ৪২৮ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯২৫ জন।

৮টি উপজেলা, পৃথকভাবে ইপিআই কাজ পরিচালিত একটি পৌরসভা, ৭২ টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ৪-১৭ অক্টোবর একযোগে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

৬-১১ মাস বয়সী শিশু ‘নীল রঙ’ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু ‘লাল রঙ’ এর ক্যাপসুল পাবে।

৪ মাস আগে যারা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়েছে এবং মারাত্মক অসুস্থ এমন কোন শিশুকে ক্যাপসুল দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা ইপিআই স্টোর সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আলমগীর।

টিকা নিতে যাওয়ার বেলায় সবাই যেন মাস্ক ব্যবহার করেন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন তিনি। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম সবুজের সঞ্চালনায় সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৌনম বড়ুয়া।

সভায় জানানো হয়, অন্ধত্বের হার কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন।

শিশুর রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কার্যকর। ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতি পূরণের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুর হার ২৩ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

মারাত্মক অসুস্থ ছাড়া ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী যে কোনো শিশু ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে পারবে। শিশুদের ভরপেটে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কক্সবাজার জেলায় স্থায়ী ৯টি, অস্থায়ী ১৮৪০টি, ভ্রাম্যমান ২৭টি ও অতিরিক্ত ৭৫ টিসহ মোট ১৯৫১ টিকাদান কেন্দ্রে ২০৮ জন স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছে।

এছাড়াও ১৭৩ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী, ৫৪০৭ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ২১৬ জন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োজিত রয়েছে। করোনা আক্রান্ত হলেও শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে।

স্বাস্থ্যকর্মীর পরিবর্তে মা কিংবা অভিভাবক চাইলে ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবে। তবে টিকাদান কেন্দ্রের বাইরে নয়।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION